২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাহজালাল বিমানবন্দরে সৌদিযাত্রীর ব্যাগে সোয়া ৪ হাজার ইয়াবা

ওই যাত্রীর দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে কার্বন ও টেপ মোড়ানো পলিথিন প্যাকেটে ইয়াবাগুলো পাওয়া যায়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Mar 2026, 12:16 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:07 PM

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবগামী এক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ হাজার ৩৬৪টি ইয়াবা উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। 

সোমবার সকালে প্রি-বোর্ডিং নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ঢাকার দোহার উপজেলার সাইদুল ইসলাম নামের ৩১ বছর বয়সী ওই যাত্রীর লাগেজে ইয়াবা শনাক্ত করা হয় বলে বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রী সাইদুল ভারী লাগেজ নিয়ে গেইট–৪ দিয়ে প্রবেশের পর নির্ধারিত কাউন্টারে চেক-ইন সম্পন্ন করেন। 

পরে প্রি-বোর্ডিং পর্যায়ে ব্যাগ স্ক্যানিংয়ের সময় দায়িত্বরত আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য সিপাহী শামীম রেজার সন্দেহ হলে সিভিল সিকিউরিটি সদস্য হিজবুল বাহারকে তল্লাশি করতে বলেন। তল্লাশির সময় ব্যাগের ভেতর থেকে ‘ইয়াবা সদৃশ বস্তু’ পাওয়া যায়।

আনসার সদস্য শামীম রেজা এবং সিকিউরিটি সুপারভাইজার মোর্শেদা তাৎক্ষণিকভাবে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে খবর দেয়। তারা এসে জব্দ ট্যাবলেটগুলো গণনা করে মোট ৪ হাজার ৩৬৪ পিস ইয়াবা পায়।

পরে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ওই যাত্রীকে ফ্লাইট থেকে নামিয়ে দেয় এবং এভসেক কর্তৃপক্ষ তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ ঘটনায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, আটক ব্যক্তির দেহ ও কাঁধব্যাগ তল্লাশি করে কার্বন ও টেপ মোড়ানো পলিথিন প্যাকেটে ইয়াবাগুলো পাওয়া যায়।

সাইদুল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বলেছেন, সালাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এই প্যাকেটটি তাকে দিয়ে বলেছে সৌদি আরবে অবস্থানরত নুরুল আমীন নামের এক ব্যাক্তির কাছে যেন পৌঁছে দেয়।

"সাইদুল স্বীকার করেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা সৌদি আরবে নিয়ে যায় এবং বিনিময়ে সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ চোরাচালান করে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।"

সাইদুল ইসলাম এবং  সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।