Published : 09 Jul 2025, 12:01 PM
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চার বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত আরও একদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার অধিদপ্তরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়তার কারণে বুধবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
অতি ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সেই সঙ্গে ভারি বর্ষণজনিত কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই সময়ে ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ফেনী ছাড়াও নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেখানে ২০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া, উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে ২০১, সীতাকুণ্ডে ১৮০, ভোলায় ১৬৮ এবং বরিশালে ১৬২ মিলিমিটারসহ দেশের প্রায় সব জায়গায় কম-বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির প্রবণতা কমার আভাস রয়েছে বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।
সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে হালকা, ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে মাঝারি, ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে মাঝারি ধরনের ভারি, ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হলে সেটিকে বলা হয়ে থাকে অতিভারি বৃষ্টিপাত।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকালের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই অবস্থানে আছে। ফলে, সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল নীলফামারীর ডিমলায়; ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল টাঙ্গাইলে; ২২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।