Published : 28 Aug 2024, 06:41 PM
সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান ও সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক।
এছাড়া সাবেক দুই সংসদ সদস্য চুয়াডাঙ্গা-১ এর সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) ও মাগুরা-১ আসনের মো. সাইফুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগও অনুসন্ধান করবে সংস্থাটি।
বুধবার এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক ও জনসংসযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে নিজ নামে ফরিদপুরের মধুপুরে ভবন নির্মাণ, রাজউক-পূর্বাচলসহ বিভিন্ন জায়গায় জমি ক্রয়, নিজ নামে মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র, তার স্ত্রী মির্জা নাহিদা হোসেনের নামে ৪টি ফ্ল্যাট করেছেন।
এছাড়াও পাচরের টাকায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন এবং কানাডায় একাধিক বাড়ি কেনার অভিযোগও করা হয়েছে।
সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, দুদকের অনুসন্ধানে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে নিজ নামে ঢাকার উত্তরায় (বাড়ি-১২, সেক্টর-১০, রোড-১২), উত্তরা মডেল টাউনে ৫ কাঠা জমির উপর বাড়ি, ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট, ২টি গাড়ি, নিজের নামে দিনাজপুরের উথরাইল, পুচকুর, রামপুর ও জালালপুর মৌজায় বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয়, দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
মো. সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে নিজ নামে মাগুরায় প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে অটোব্রিকস ফিল্ডের ব্যবসা, চাওলিয়া ইউনিয়নের নগর পদ্ন্দবিলে প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে মৎস্য খামার; তার নিজ নামে ১০টি ট্রাক, শ্যালকের নামে ২টি এবং খালকুড়া নবাবের ছেলের নামে ২টি গাড়ি ক্রয় করেছেন।
এছাড়া মাগুরা সদর উপজেলার তার মালিকানাধীন মনোয়ারা কমপ্লেক্স নামের বহুতল মার্কেট; মাগুরার বিভিন্ন জায়গায় অনেক জমি এবং নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য গোয়েন্দা তথ্যানুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।
আর সাবেক এমপি সোলায়মান হক জোয়াদ্দাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারে নিজ নামে চুয়াডাঙ্গা সদরে ৩তলা বিলাস বহুল বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় জমি ক্রয়: প্রায় ৮০-১০০ টি এসি/ননএসি বাসসহ ১৫-২০টি ট্রাক, তার স্ত্রী ও নিজ নামে সঞ্চয়পত্র, একটি প্রাডো গাড়িসহ দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে।