১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ দম্পতির সম্পদ বিবরণী যাচাই করছে দুদক

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আজিজ আহমেদ এবং তার দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ দম্পতির সম্পদ বিবরণী যাচাই করছে দুদক
আজিজ আহমেদ। ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 06 Sep 2026, 08:02 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:55 AM

সাবেক সেনাপ্রধান অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আজিজ আহমেদ ও তার স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তাদের সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানে দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে অনুসন্ধান কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার নিয়োগের তথ্য দিলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারেননি।

এ বিষয়ক দুদকের নথিতে বলা হয়, আজিজ আহমেদের দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালককে (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-৩) তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এবং তার দুই ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ জোসেফের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়।

এর আগে জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়টি সামনে আসে ২০২৪ সালের মে মাসে। ওই বছরের ২৯ মে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান।

এখন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিধি মেনে আজিজ আহমেদ ও তার স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নথিতে আজিজ আহমেদের ঠিকানা হিসেবে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসার ঠিকানা দেওয়া হয়েছে।

তার স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর ক্ষেত্রেও অনুসন্ধান ও তদারককারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা দুদকের নথিতে বলা হয়েছে।

মিরপুর ডিওএইচএসের বাসিন্দা কাকলীর দাখিল করা সম্পদ বিবরণী বিধি অনুযায়ী যাচাই ও অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।