পাশাপাশি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বেও থাকবে এ বাহিনী।
Published : 06 Aug 2024, 06:09 PM
হামলার পর অরক্ষিত হয়ে পড়া থানাগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে।
পাশাপাশি ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বেও থাকবে এ বাহিনী।
সোমবার আনসারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রবল গণ আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজধানীর থানায় থানায় হামলা-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুরের পর আগুনও ধরিয়ে দেয় অনেক থানায়। এসব থানায় বেশ কিছু পুলিশের খবরও এসেছে।
ঢাকার বাইরেও অনেক থানা আক্রমণের শিকার হয়েছে।
পুলিশের নন ক্যাডার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের হিসেবে দেশব্যাপী সাড়ে চারশ থানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। বেশিরভাগ থানা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন পুলিশ সদস্যরা।
এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার অনেক থানার সামনে সেনাবাহিনীর সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পরে আনসারকে দায়িত্ব দেওয়ার খবর আসে।
পুলিশবিহীন ঢাকা শহরের বিভিন্ন মোড়ে সকালে এলোমেলো যান চলাচলে কিছুটা যানজট হয়। তবে যান চলাচল একেবারে কম থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। দুপুরের মধ্যেই ঢাকার বিভিন্ন ট্রাফিক ইন্টারসেকশনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় কিছু শিক্ষার্থীকে। তবে এখন থেকে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করবে আনসার।
আনসার ভিডিপির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) রুবেল হোসেইন বলেন, আনসার সদস্যরা থানাগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান করবে। পাশাপাশি ঢাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বেও তাদের মোতায়েন করা হচ্ছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এর মধ্যেই আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
দুপুরে বিমানবন্দরের প্রবেশ পথে সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যদের যৌথভাবে অবস্থান করতে দেখা গেছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দেখা যায়নি।