Published : 15 Mar 2025, 10:47 PM
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবির হাতে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক আসামি মারা গেছেন, যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের ‘সহযোগী’ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হেজাজ বিন আলম নামের ৩৪ বছর বয়সী এই আসামি শনিবার সন্ধ্যায় মারা যান বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ছিলেন তিনি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইফতারির সময় মারা গেছেন। মরদেহ মর্গে রাখা আছে।”
ডিবি ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. নুরুল হুদা আশরাফী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলার রিক্যুজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছিলাম।”
তবে সুনির্দিষ্ট কোন মামলায় হেজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে জানাননি তিনি।
পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় করা একটি মামলার আসামি ছিলেন হেজাজ। শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ধানমন্ডিতে জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
“পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই অবস্থার অবনতি হলে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হেজাজকে ডায়ালাইসিসে নেওয়া হয়। সেখানেই ডায়ালাইসিস চলাকালীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তিনি মারা গেছেন।”
ক্ষমতার পালাবদলের পর গত ১৬ অগাস্ট কারাগার থেকে ছাড়া পান সরকারের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইমন। এরপর বিভিন্ন সময়ে শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম, ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, সুমন শিকদার ওরফে মুসাসহ সরকারের ২০০১ সালের তালিকাভুক্ত ২৩ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ অনেকেই কারাগার থেকে ছাড়া পান।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকার রায়ের বাজার এলাকা থেকে হেজাজকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্ত করে যৌথবাহিনী। পরে তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করলে সেদিনই জামিনে মুক্তি পান।
এর দুইদিন পর গভীর রাতে হেজাজকে আবার গ্রেপ্তার করে ডিবি, পরদিনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেলেন।