১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টঙ্গীতে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীর মৃত্যু

শামীমের শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Sep 2025, 12:01 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:21 PM

গাজীপুরের টঙ্গীতে রাসায়নিকের একটি গুদামে আগুন লাগার ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের দগ্ধ এক কর্মী মারা গেছেন।

মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীম আহমেদ (৪০) মারা গেছেন বলে এক বার্তায় ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।

তার শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল বলে তথ্য দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তিন সন্তানের জনক শামীমের বাড়ি নেত্রকোণা।

রাতে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরে তারা জানাযা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সেখানে অংশগ্রহণ করেন। পরে শামীম আহমেদের পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন উপদেষ্টা। 

সোমবার টঙ্গীর সাহারা মার্কেটের রাসায়নিকের একটি গুদামে আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ হন ফায়ার সার্ভিসের নুরুল হুদা, জয় হাসান ও মো. শামীম এবং অফিসার জান্নাতুল নাঈম। তাদের মধ্যে শামীম মারা গেলেন। বর্তমানে আরো দুইজন বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। 

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন সকালে বলেছিলেন, "তাদের ৪০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হওয়ায় সবাই আশঙ্কাজনক। তাদেরকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে।

“দগ্ধ রোগীদের দেশের বাইরে নিয়ে গেলে ভালোও হতে পারে, আবার খারাপও হতে পারে। এজন্য আমরা সমন্বিতভাবে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।”

টঙ্গীর এই ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের আরও একজন কর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছে। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। আলআমিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

স্থানীয়রা বলছিলেন, টিনশেডের গুদামটি এক পোশাক কারখানার। বিকালে হঠাৎ সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর ভেতরে থাকা লোকজন দৌড়ে বের হয়ে আসেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আগুন নেভানোর কাজ শুরুর পর রাসায়নিকের এক ড্রামের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন দগ্ধ হন।