১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ধানমন্ডি লেকে নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে ব্যবসা নয়: মন্ত্রী রবিউল

“ইজারার শর্ত ভঙ্গ বা সীমানা লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Apr 2026, 06:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:29 PM

যেকোনো মূল্যে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার রাজধানীর কলাবাগানে বর্জ্যের আধুনিক সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম বলেন, “ধানমন্ডি লেককে ঘিরে লাইব্রেরি, জিমনেসিয়াম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকার ফুসফুস খ্যাত লেকটিকে রক্ষা করবে ডিএসসিসি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মশক নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসি পূর্বের তুলনায় দৃশ্যমান উন্নতি করেছে।”

তিনি বলেন, “যেকোনো মূল্যে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য সংরক্ষণ করা হবে। লেকের যতটুকু জায়গা ইজারা দেওয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ঠিক ততটুকু সীমানার মধ্যেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। ইজারার শর্ত ভঙ্গ বা সীমানা লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে।”

নগর সংস্থার প্রশাসক আবদুস সালামের কঠোর তৎপরতার কারণেই বর্তমানে মশা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংস্কারকৃত এসটিএসের বিষয়ে প্রশাসক সালাম বলেন, “ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার কারণে অতীতে এখানে দুর্গন্ধ ও যানজটে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। আজ থেকে সেই সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এটি একটি নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো।

“জনগণের সহযোগিতা পেলে এই মডেল অনুসরণ করে ডিএসসিসির প্রতিটি এসটিএস-কে পর্যায়ক্রমে নান্দনিক রূপে সাজানো হবে।”

এসটিএস উদ্বোধনের পরপরই ধানমন্ডি লেইক ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের মোট ৬০০ জন এই অভিযানে অংশ নেন।