বাধ্য হয়ে যাত্রী নিয়ে গেল ফেরিটি

নদী পারাপারে ঘরমুখো মানুষের ঢলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় শনিবার থেকে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিআইডব্লিউটিসি। কিন্তু সিদ্ধান্তটি আগের রাতে হওয়ায় তা না জেনে খুব সকালে শত শত মানুষ চলে এসেছিলেন মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও যাত্রীদের চাপে শেষ পর্যন্ত ছাড়তে বাধ্য হয় কুঞ্জলতা নামের ফেরিটি।
  • শনিবার খুব সকাল থেকেই শত শত যাত্রী এসে পদ্মা পারাপারের অপেক্ষায় থাকেন শিমুলিয়া ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে।

    শনিবার খুব সকাল থেকেই শত শত যাত্রী এসে পদ্মা পারাপারের অপেক্ষায় থাকেন শিমুলিয়া ৩ নম্বর ফেরি ঘাটে।

  • সকাল সোয়া ৮টার দিকে শরীয়তপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স ও দুটি পুলিশ ভ্যান নিয়ে ৩ নম্বর ঘাটে এসে থামে ফেরি ‘কুঞ্জলতা’।

    সকাল সোয়া ৮টার দিকে শরীয়তপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স ও দুটি পুলিশ ভ্যান নিয়ে ৩ নম্বর ঘাটে এসে থামে ফেরি ‘কুঞ্জলতা’।

  • কিন্তু ফেরিটি নোঙ্গর করার আগেই তাতে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠে পড়েন শত শত মানুষ।

    কিন্তু ফেরিটি নোঙ্গর করার আগেই তাতে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠে পড়েন শত শত মানুষ।

  • ঘাটে বেশ কয়েকটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও সেগুলো ওঠার সুযোগই পায়নি।

    ঘাটে বেশ কয়েকটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও সেগুলো ওঠার সুযোগই পায়নি।

  • ফেরি থেকে গাড়িগুলো নামার পর দ্রুতই সেটি ঘাট থেকে ছেড়ে কিছুটা নদীর মধ্যে গিয়ে থেমেছিল।

    ফেরি থেকে গাড়িগুলো নামার পর দ্রুতই সেটি ঘাট থেকে ছেড়ে কিছুটা নদীর মধ্যে গিয়ে থেমেছিল।

  • প্রায় ঘণ্টাখানেক থেমে থাকার পর যাত্রীদের চাপের মুখে ‘কুঞ্জলতা’ ফেরিটি পদ্মার ওপারে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়।

    প্রায় ঘণ্টাখানেক থেমে থাকার পর যাত্রীদের চাপের মুখে ‘কুঞ্জলতা’ ফেরিটি পদ্মার ওপারে বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়।

Print Friendly and PDF