Published : 12 Jul 2016, 04:06 PM
দুই দিনের ঢাকা সফর শেষে মঙ্গলবার দুপুরে কলম্বো রওনা হওয়ার আগে এক টুইটার বার্তায় তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তার আলোচনার বিষয়বস্তু জানান।
গুলশানের ক্যাফে এবং শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর বাংলাদেশ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক করেন বিসওয়াল।
তিনি টুইটারে লিখেছেন, “সন্ত্রাসী হামলা ঠেকানো এবং এসব ঘটনা তদন্তে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।”
বিসওয়ালের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তথ্য বিনিময়ের উপর জোর দেন বলে তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব বিসওয়াল দিয়েছেন। বাংলাদেশ যেভাবে চাইবে, সেভাবে সহায়তা দিতে তারা রাজি।
এদিকে তালেবান, আল কায়দা, আইএসের মতো সংগঠনগুলো গঠনে মদদ দেওয়ার যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে তাদের সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছে দুই বাম দল সিপিবি-বাসদ।
গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহতদের মধ্যে এক বাংলাদেশি ছিলেন, যার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বও ছিল। ঢাকায় আসার পর সোমবার সকালে বিসওয়াল হলি আর্টিজান পরিদর্শন করেন।
ঢাকা সফরকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে বিসওয়াল তার টুইটার বার্তায় লিখেছেন, “বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ একটি সফর শেষ করলাম। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন এবং বাংলাদেশের পাশে থাকার বিষয়টি আমি জানিয়েছি।”
জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা নিশ্চিত সন্ত্রাসীরা বিজয়ী হবে না।
“আমাদের কাছে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং তথ্য আছে। যারা আমাদের সমাজে সন্ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদেরকে পরাজিত করার মতো প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা আমাদের আছে। আমরা আমাদের কমিউনিটি এবং তরুণদের নিয়ে কাজ করব, যাতে তারা সঠিক পথ খুঁজে পায়।”
গুলশানে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি তার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পক্ষে থেকে শেখ হাসিনাকে ফোন করে তদন্তে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে ‘চ্যালেঞ্জ’ আখ্যায়িত করে এর বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতির বিষয় জানানোও তার সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে জানান বিসওয়াল।
পুরানো খবর:
‘বাংলাদেশের চাহিদা মত সাহায্য করবে যুক্তরাষ্ট্র’পুরানো খবর:
জঙ্গি নির্মূলে সহায়তা দিতে ‘তৈরি’ যুক্তরাষ্ট্র