১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

পুলিশের পুনর্গঠন ও সংস্কারে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা বিষয়কসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পুলিশের পুনর্গঠন ও সংস্কারে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকায় ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Apr 2026, 11:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:18 PM

পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার, সামর্থ্য ও সক্ষমতা বাড়াতে ইউএনডিপিকে সহযোগিতার অনুরোধ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। 

রোববার রাজধানীর বেইলি রোডে মন্ত্রীর বাসভবনে বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে গেলে সালাহউদ্দিন এ অনুরোধ জানান। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরে এ বৈঠকের আলোচনার কথা তুলে ধরা হয়।

পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে ইউএনডিপির সহযোগিতা আশা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা পুলিশ সংস্কারে কাজ করছি। তবে তা রাতারাতি নয়, আমরা ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার, সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে।”

স্বাধীন পুলিশ কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ নতুন করে বিল আকারে সংসদে পেশ করার কথাও বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপির অবদান অনস্বীকার্য। গত ১৫-১৭ বছর ধরে সংস্থাটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে কাজ করেছে। কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি যাবতীয় সহযোগিতা করেছে এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।”

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা বিষয়কসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সম্পর্কে আবাসিক প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এটিও পরবর্তীতে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে। অধ্যাদেশটির দু'একটি সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে যাতে গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।”

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-এপিবিএনকে তদন্তের ক্ষমতা প্রদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাই তদন্ত করতে পারেন এবং এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়।”

তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদারের বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন তিনি।