১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে এক লাখ গ্রাহক

১ জুলাই থেকে স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মীদের 'প্রত্যয়' স্কিমে অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে এক লাখ গ্রাহক
স্কিমে এক লাখ গ্রাহক নিবন্ধনকে ‘উল্লেখযোগ্য অর্জন’ বলে মনে করছে  জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Feb 2025, 02:58 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:31 AM

উদ্বোধনের নয় মাসের মাথায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের সংখ্যা এক লাখের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। একে একটি ‘উল্লেখযোগ্য অর্জন’ বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে। 

২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

শুরুতে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে চারটি স্কিম দিয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের যাত্রা শুরু হলেও পরে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য 'প্রত্যয়' নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়। 

আগামী ১ জুলাই থেকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে এই স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।

সর্বজনীন পেনশনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে 'সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি' গঠন করা হয়েছে এবং মাঠ প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিভাগভিত্তিক মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

কমিশনার, জেলাপ্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা নিয়মিতভাবে যথাক্রমে বিভাগ, জেলা ও উপজেলাভিত্তিক নিবন্ধন মনিটরিং ও বাস্তবায়ন করছেন। 

বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন মেলা ও কর্মশালার আয়োজন করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ১৯ এপ্রিল রাজশাহীতে বিভাগীয় পেনশন মেলা ও কর্মশালা হয়। বাকি সাত বিভাগেও বিভাগীয় মেলা হবে।

বিতরণের জন্য মাঠ প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফ্লায়ার ও বুকলেট পাঠানো হয়েছে এবং তা অব্যাহত আছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমে (ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার) উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

এসব উদ্যোগের ফলেই নিবন্ধন সংখ্যায় এক লাখের মাইলফলক অর্জিত হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

ইতোমধ্যে চাঁদা দাতাদের অর্থ থেকে নিরাপদ ট্রেজারি বন্ডে ৪২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়। 

এদিকে সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রম নিয়ে 'সর্বজনীন পেনশন বার্তা' শিরোনামে বুলেটিনের ১ম সংখ্যা প্রকাশ করেছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান।

এ সময় অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান, অর্থ বিভাগের বিভিন্ন উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বুলেটিনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বলেন, এ বুলেটিনের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণ আরো বিস্তারিত জানতে পারবে এবং উপকৃত হবে।