১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: ৩ আসামির জামিন নাকচ, পেছাল অভিযোগ গঠনের শুনানি

রোববার মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। তবে আসামিপক্ষ থেকে শুনানি পেছাতে সময় আবেদন করা হয়।

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: ৩ আসামির জামিন নাকচ, পেছাল অভিযোগ গঠনের শুনানি

জোবায়েদ হোসেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 11 Oct 2026, 08:44 PM

Updated : 11 Oct 2026, 08:44 PM

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় ৩ আসামির জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে আদালত।

একইসঙ্গে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৮ অক্টোবর রাখা হয়েছে।

ঢাকার ২০তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাজহারুল ইসলাম রোববার এ আদেশ দেন।

জামিন নাকচ হওয়া ৩ আসামি হলেন- জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, তার ‘প্রেমিক’ মাহির রহমান, তার বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাজেদুল ইসলাম বলেন, “রোববার মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। তবে আসামিপক্ষ থেকে শুনানি পেছাতে সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৮ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। কারাগারে থাকা তিন আসামির পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।”

পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় ছাত্রীকে পড়াতে গিয়ে গত বছরের ১৯ অক্টোবর খুন হন জোবায়েদ। সেদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় ওই ছাত্রীর বাসার নিচ তলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

দুইদিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত ২১ অক্টোবর বংশাল থানায় মামলা করেন। মামলার প্রায় নয় মাস পর তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা বংশাল থানার এসআই আশরাফ হোসেন।

পুলিশের ভাষ্য, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগী। মূলত বর্ষা, মাহির ও জোবায়েদের মধ্যে ত্রিভুজ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

মামলার বিবরণে বলা হয়, জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মত গত বছরের ১৯ অক্টোবর বিকালে বংশালের ৩১ নং ওয়ার্ডে নুর বক্স লেনের ১৫ নং হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটের দিকে ওই ছাত্রী জোবায়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে জানান, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করে ফেলছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কামরুল হাসান ৭টার দিকে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এ তথ্য দেন। এনায়েত তার শ্যালক শরীফ মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে ভবনের নিচতলা থেকে ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি এবং দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ওই ভবনের ৩য় তলার সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতে পান তারা।

পুরানো খবর:

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত
জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ ‘ত্রিভুজ প্রেমের বলি’