Published : 04 Aug 2024, 05:35 PM
এ ভাঙচুরে কোনো শিক্ষার্থীকে দেখা যায়নি বলে আদালত পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন।
বৈষম্যমূলক ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সরকার পতনের ‘এক দফা’ আন্দোলনে ‘অসহযোগের’ প্রথম দিন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত (সিএমএম) ভবনের সামনের সড়কে রাখা মহানগর পুলিশের একটি বড় প্রিজন ভ্যান ও পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। রোববার দুপুর ১১টা থেকে পৌনে ১২ টা পর্যন্ত এই ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তিনি জানান, এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কবে যাবি’ স্লোগান দিতে থাকেন। এ ভাঙচুরে কোন শিক্ষার্থীকে দেখা যায়নি বলে আদালত পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন। আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এস আই জালাল আহমেদ, রণপ কুমার ভক্ত, শাহ আলমসহ কয়েকজন বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই নাশকতা করেনি। আমরা জানালা দিয়ে বারান্দা থেকে ঘটনা দেখেছি।
জালাল বলেন, “সকালে জনসন রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিএমএম কোর্টের বন্ধ থাকা মুল ফটকের সঙ্গে ছোট পকেট গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় কয়েকজন আইনজীবী এই পকেট গেট খুলে দিলে কমপক্ষে ৫০ জন দুর্বৃত্ত আদালত ভবনের নীচের রাস্তায় লাঠি, রডসহ ঢুকে পড়ে। তারা পুলিশের প্রিজন ভ্যানসহ পুলিশের জিপ ভাঙচুর করে।”
কিছুক্ষণ পরে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে ভাঙচুরকারীরা রায়সাহেববাজারের দিকে চলে যায়।
এ সময় মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের পেছনের নীচতলার বিভিন্ন কক্ষ লক্ষ্য করে টিল ছোঁড়ে।
এসব কক্ষে এ আদালতের বিভিন্ন মামলার আলামত রাখা রয়েছে।
মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবির বাবুলকে এ সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে দেখা যায়।
পরে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এবং ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে অন্য আদালতের এজলাসে ওঠেননি বিচারকরা।
আদালতে হামলার ঘটনায় আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করে।