১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সাবেক ডিআইজি বাতেন ও তার স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র ‘ব্লকড’

চব্বিশের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৩ অগাস্ট বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় বাতেনকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Aug 2025, 07:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:33 PM

পুলিশের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন ও তার স্ত্রী নূরজাহান আক্তার হীরার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ‘ব্লক’ করার আদেশ দিয়েছে আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। 

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।

তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ‘ব্লক’ করার আবেদনটি করেন দুদকের উপসহকারি পরিচালক মিনু আক্তার। 

আবেদনে বলা হয়, আব্দুল বাতেন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের এনআইডি নম্বর ‘ব্লক’ করা প্রয়োজন।

চব্বিশের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৩ অগাস্ট তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। ১৭তম বিসিএসের কর্মকর্তা বাতেন রাজশাহী রেঞ্জ, ঢাকা মহানগর পুলিশসহ বিভিন্ন স্থানে দায়িত্বে ছিলেন।

সরকার পরিবর্তনের পর বাতেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুটি মামলা করে দুদক।

বাতেনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ২৯ লাখ ২৪ হাজার ৭৪৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ৭টি ব্যাংক হিসাবে ১৩ কোটি ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫১১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়।

আর বাতেনের স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলায় ৮৫ লাখ ৪১ হাজার ৮০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া তার চারটি ব্যাংক হিসাবে ৮ কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার ৭০২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাতেনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দেয় আদালত। ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। 

সবশেষ গত ২৩ জুলাই বাতেন ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।