ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইনামুলের ৭ বছরের কারাদণ্ড
“দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। এ ক্ষেত্রে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে,’' বলেন দুদকের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম।
দুর্নীতির দায়ে ভূমি সংস্কার বোর্ডের আওতাধীন ভাওয়াল রাজ এস্টেটের বহিষ্কৃত হিসাবরক্ষক ইমামুল বাশার মিলনকে দুটি ধারায় সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন রোববার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য দিয়েছেন ওই আদালতের স্ট্রোনোগ্রাফার সোহানুর রহমান।
সরকারি কর্মচারী হয়ে অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে তাকে সাত বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এই টাকা কোর্ট অব ওয়ার্ডস ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেটি আসল হিসেবে ব্যবহারের দায়ে তাকে আরও সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
দুদকের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম বলেন, “দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। এ ক্ষেত্রে তাকে সাত বছর কারাভোগ করতে হবে।”
মামলায় বলা হয়, ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ড থেকে ঋণ আদায় বাবদ মোট ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। ওই অর্থ ভাওয়াল রাজ এস্টেটের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন ইমামুল বাশার।
মামলাটি হয় ২০২১ সালের ৯ জুন; বাদী হন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর কমিশনের উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম।
কমিশনের সহকারি পরিচালক মাহবুবুল আলম ২০২৩ সালের ২২ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচার শুরু হয় ২০২৪ সালের ১১ জুন।
মামলার শুরুর দিকে ইমামুল বাশার পলাতক ছিলেন। ২০২৫ সালের ১২ অগাস্ট আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। পরের মাসে জামিন পান তিনি।
