Published : 21 Sep 2025, 01:29 PM
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সিলিন্ডারের গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, রোববার সকালে এবং শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. ইউসুফ এবং ইদ্রিস মারা গেছেন। তারা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তিনি বলেন, শনিবার রাত পৌনে দশটায় ইউসুফ মারা যান। ৩২ বছর বয়সী ইউসুফের শরীরের ৫৭ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
আর রোববার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে মারা যান ইদ্রিস। ২৭ বছর বয়সী ইদ্রিসের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়েছিল ওই আগুনে। তাদের দুজনেরই শ্বাসনালীও পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক।
চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের মাহবুবুর রহমানের মালিকানাধীন গ্যাস সিলিন্ডারের গোডাউনে বৃহস্পতিবার সকালে সিলিন্ডার ‘লোড-আনলোডের’ সময় বিস্ফোরণ হয়। তাতে গোডাউন মালিকসহ ১০জন দগ্ধ হন। গোডাউনটি চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার সীমানার মধ্যে অবস্থিত।
বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের মধ্যে ইউসুফ ও ইদ্রিস মার গেছেন।
ওইদিন বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা আর দুজনের মধ্যে ৪৫ বছর বয়সী মাহবুবুর রহমানের শরীরের ৫০ শতাংশ, ২০ বছর বয়সী রিয়াজের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
চট্টগ্রামে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ জনের অবস্থা 'গুরুতর', শঙ্কামুক্ত নয় অন্যরাও
দগ্ধ অপর ছয়জনকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থাও ‘শঙ্কামুক্ত নয়’ বলে এর আগে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক এস খালেদ।
তিনি বলেছিলেন, “বিস্ফোরণের ঘটনায় তাদের সকলেরই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
পরে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই ছয়জনকেও রাজধানীতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
তাদের মধ্যে আকিবের (১২) ৩৩ শতাংশ, সৌরভের (২৫) ১৬ শতাংশ, কফিল উদ্দিনের (২৫) ৪৫ শতাংশ, হারুনের (২০) ৫০ শতাংশ, সালেহর (৩৩) ৩৫ শতাংশ এবং লিটনের (৩০) ২০ শতাংশ পুড়েছে বলে বার্ন ইউনিটের চিকিৎসরা জানিয়েছেন।