১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে, বলেন তিনি।

হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Sep 2026, 04:23 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:57 AM

টিকা দেওয়ার পরও হামের সংক্রমণ না কমায় দেশে আবারও বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার কথা বলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

তিনি বলেছেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য দিয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে। 

হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সমালোচনার মধ্যে সরকার জরুরি ভিত্তিতে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় ৫ এপ্রিল থেকে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বা পাঁচ বছর বয়সি টিকা দেওয়া শুরু করে। 

এরপর ১২ এপ্রিল শুরু হয় চার সিটি করপোরেশন এলাকায়।

২০ এপ্রিল সারা দেশে একই বয়সি শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার, যা শেষ হয় ২০ মে।

তারপরও সংক্রমণ কমছে না। সরকারি হিসাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ১০০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের টিকা ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও যখন সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি দেখা যায়, তখন সরকার অবশিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।” 

এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, বলেন তিনি। 

মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করার কথা বলেছেন সাখাওয়াত হোসেন। 

তিনি বলেন, “প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। 

“উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজে ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে সেমিনারটি আয়োজন করে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজঅ্যাবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল।