১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে সবারই লাভ: তথ্যমন্ত্রী

সেট টপ বক্স প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সবার কেনার সামর্থ্যের মধ্যে রাখার তাগিদ দেন তিনি।

কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে সবারই লাভ: তথ্যমন্ত্রী

ছবি পিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Mar 2023, 10:05 PM

Updated : 28 Mar 2023, 10:05 PM

কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে সব পক্ষেরই উপকার হবে বলে মনে করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কেবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) আয়োজিত ইফতার সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে দর্শক, অপারেটর, সরকার সবাই উপকৃত হবে। দর্শক বেশি চ্যানেল ও স্বচ্ছতর ছবি পাবে, অপারেটররা ব্যবসার ঠিক হিসাব এবং সরকার ঠিক রাজস্ব পাবে।"

একইসঙ্গে এজন্য প্রয়োজনীয় সেট টপ বক্স প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সবার কেনার সামর্থ্যের মধ্যে রাখার তাগিদ দেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, "আমরা এক একটি এলাকা ব্লক করে নেটওয়ার্ক ডিজিটাল করাতে চাই না। ডিজিটাল করার প্রক্রিয়ার শুরুতে এনালগ পদ্ধতিও পাশাপাশি থাকতে পারে। তবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশি-বিদেশি সকল চ্যানেল আর এনালগ পদ্ধতিতে শুধু দেশি চ্যানেল দেখা যাবে।”

তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই দেশে বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু। এখন প্রায় ৩৬টির মতো টিভি চ্যানেল সম্প্রচারে আছে, আরও আসছে। এটি না হলে আজ কেউ টিভি চ্যানেল মালিক বা কেবল অপারেটর থাকতেন না। সুতরাং যার নেতৃত্বে দেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে, যার কারণে এই শিল্পের বিকাশ, তার নেতৃত্বে এই অগ্রযাত্রা বজায় রাখার বিষয়টি ভাবনায় রাখার অনুরোধ জানাই।"

কয়েক দশক ধরে টিভি চ্যানেলগুলোকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি কেবল অপারেটরদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

আইনানুসারে বিদেশি চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপনমুক্ত বা ক্লিনফিড সম্প্রচার ও টিভি চ্যানেলগুলোর ক্রম ঠিক রাখার বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান।

কোয়াব নেতাদের দাবির প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, "কেবল অপারেটররা ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু করলে যেমন এক ব্যবসা অঙ্গনে অন্যের ঢুকে পড়া হবে, সেটি ওটিটি প্লাটফর্ম এবং অন্য সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ওটিটি নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়াটি হাইকোর্টের অনুমোদন হয়ে এলে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।"

কোয়াব সভাপতি এবিএম সাইফুল হোসেনের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোশাররফ আলী, সহ সভাপতি রাশেদুর রহমান মালিক ও সৈয়দ হাবিব আলী, সাবেক সভাপতি আনোয়ার পারভেজ বক্তব্য রাখেন।