“জনপ্রশাসন সচিব খোলাসা করেছেন, তিন ধরনের অপরাধ যাদের ছিল না, তাদের প্রত্যেকেই ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রজ্ঞাপনভুক্ত হবেন”, বলেন বাদ পড়া প্রার্থীদের প্রতিনিধি কাঞ্জিলাল রায় জীবন।
Published : 05 Jan 2025, 09:54 PM
আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ব্যাপারে ‘আশাবাদী’ ৪৩তম বিসিএসের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রার্থীদের একাংশ।
তাদের পক্ষে কাঞ্জিলাল রায় জীবন রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি এবং আমরা আশাবাদী, যে আন্তরিকতা পূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে, আমরা যারা ‘তিন ধরনের কাজে’ কখনো ছিলাম না, তাদের নাম ১৫ তারিখের মধ্যেই গেজেটভুক্ত হবে।
“সেই তিন ধরনের কর্মকাণ্ড হচ্ছে ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বহিষ্কার হওয়ার মত কোনো অপরাধ।”
জীবন বলেন, “জনপ্রশাসন সচিব খোলাসা করে বলেছেন, এই তিন ধরনের অপরাধ যাদের ছিল না, তাদের প্রত্যেকেই প্রজ্ঞাপনভুক্ত হবেন।”
সংবাদ সম্মেলনের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে প্রায় এক ঘণ্টা বাদ পড়া প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
চাকরিপ্রার্থীরা হাসনাত আব্দুল্লাহকে তাদের অভিযোগগুলো জানান। হাসনাত আব্দুল্লাহ তাদেরকে সমাধান পেতে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
জীবন বলেন, "হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং আমিসহ প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়া তিন প্রতিনিধি আজ জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। আমরা আমাদের বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরি এবং তিনি নিজের বক্তব্য দেন।
"আমরা বলেছি, যেহেতু চারটি গোয়েন্দা এজেন্সি দ্বারা যাচাই হয়েছে, তাই পুনর্বিবেচনার বিষয়টি যেন দ্রুত করা হয়। ১৫ জানুয়ারি মধ্যে আমাদের যেন যোগদানের সুযোগ দেওয়া হয়, আমরা সেই বিষয়টি তুলে ধরি।"
৪৩তম বিসিএসে ২ হাজার ১৬৩ পদে নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। মৌখিক পরীক্ষার পর সুপারিশকৃতদের মধ্যে থেকে ৯৯ জনকে বাদ দিয়ে ২ হাজার ৬৪ জনকে নিয়োগে গত ১৫ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এরপর ৩০ ডিসেম্বর ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে ১ হাজার ৮৯৬ জনকে নিয়োগে দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপন দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তাতে প্রথম প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়েন ১৬৮ জন।
দুই প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়া ২৬৭ জনের মধ্যে প্রায় দুইশ জন গত বুধবার সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নেন।