১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আইইএলটিএসের প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা বলে ‘অর্থ আত্মসাৎ’, গ্রেপ্তার ২

প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র সরবরাহের বিনিময়ে কারো কারো কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে, বলছে ডিএমপি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Sep 2025, 12:16 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:15 PM

আইইএলটিএসের প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।  

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- পান্না পুনম হাওলাদার ওরফে কেয়া (২৬) এবং মামুন খান (৩৭)। তাদের কাছ থেকে ‘প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা’ ৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা  ও আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম বা আইইএলটিএস হচ্ছে ইংরেজিভাষী দেশগুলোতে চাকরি, পড়াশোনা বা থাকতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভাষার একটি মান পরীক্ষা ব্যবস্থা। পরীক্ষাটি অনলাইনে হয়ে থাকে। 

রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বনানী থানাধীন 'অ্যামাজন লিলি লেক ভিউ রেসিডেন্স' নামের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ বলছে, অভিযোগকারী নাদিত হাসান রকি ‘কুইন গ্লোবাল কনসালট্যান্ট অ্যান্ড আইইএলটিএস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কোচিং করতেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রকিসহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র সরবরাহের প্রস্তাব দেন। তাদের প্রস্তাবে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিতে রাজি হন রকি। কারো কারো কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি বলছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর বনানীর 'অ্যামাজন লিলি লেক ভিউ রেসিডেন্স' হোটেলে রকি, তার বন্ধু তাবিবুল ইসলামসহ অন্যান্য পরীক্ষার্থী কেয়া ও মামুনের সঙ্গে দেখা করে টাকা দেন। রাতে মামুন ও কেয়া তাদেরকে উত্তরসহ কয়েকটি প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা দেখতে পান, তাদের কেনা প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মাত্র কয়েকটি প্রশ্নের মিল রয়েছে। 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে হোটেলে ফিরে তারা টাকা ফেরত চাইলে মামুন ও কেয়া অস্বীকৃতি জানান এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেন।