রাঙামাটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ হাই কোর্টের
যাতে কেউ পাহাড় কাটতে না পারে, সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন নির্মাণে পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
একইসঙ্গে অন্য যে কোনো পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এইচআরপিবির একটি রিটি আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজি ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছে।
রাঙামাটি জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করতে পাহাড় কাটা হচ্ছে, সংবাদমাধ্যমে এই খবর আসার পর এইচআরপিবি এই রিট আবেদন করে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান।
রিটকারীর পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, আদালত রাঙামাটির পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এই পাহাড় কাটা বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং যে পাহাড় কাটা হয়েছে সেগুলো মাটি ভরাটের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানাতে রুল জারি করা হয়েছে। চার সপ্তাহের রুলের জবাব দিতে হবে।
মনজিল মোরসেদ বলেন, আদালত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে মনিটরিং টিম গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ পাহাড় কাটতে না পারে।
একইসঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
এই আইনজীবী বলেন, পরিবেশ আইনের ৬ ধারায় পাহাড় কাটার ওপর বিধি-নিষেধ রয়েছে; এমনকি কেউ পাহাড় কাটলে তার বিরুদ্ধে ১৫ ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নির্দেশনা রয়েছে।
এইচআরপিবির পক্ষে রিট আবেদন করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী ও একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।
