Published : 13 Jul 2025, 02:28 PM
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে মাথা থেঁতলে হত্যা মামলায় আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার ভোরে নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌর শহর থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার টুনারচর এলাকার ইউনুস ব্যাপারী ছেলে সজীব ব্যাপারী ও রাজীব ব্যাপারী। সজীব এ হত্যা মামলার ৭ নম্বর এবং রাজীব ১০ নম্বর আসামি।
দুর্গাপুর পৌর শহরের চায়না মোড় এলাকা থেকে জেলা পুলিশের সহায়তায় গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করে বলে জানান নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ। তিনি বলেন, তাদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকালে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে শরীর ও মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয় ভাঙারি ও পুরনো তারের ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, ওই হত্যাকাণ্ডে যাদের অংশ নিতে দেখা গেছে এবং নেপথ্যে যাদের নাম আসছে, তারা সবাই পূর্ব পরিচিত। একসময় তাদের কয়েকজন সোহাগের ব্যবসার সহযোগী ছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধে এমন ভয়ংকরভাবে কাউকে হত্যা করা হতে পারে, তা পরিচিতজনদের ধারণারও বাইরে।
এ ঘটনায় নিহতের বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার মামলা করেন। এরপর পুলিশ মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করে। এ সময় রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এরপর শুক্রবার কেরাণীগঞ্জ ইবনে সিনা হাসপাতাল থেকে আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে লম্বা মনির (৩২) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। শুক্রবার গভীররাতে টিটন গাজী (৩২) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সবশেষ নেত্রকোণা থেকে দুজনকে ধরার মধ্য দিয়ে আলোচিত এ মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল সাতে।