১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিবি হেফাজতে হেজাজের মৃত্যু: তদন্তের দাবি এমএসএফের

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় এ যুবকের।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Mar 2025, 06:04 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:02 PM

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজতে হেজাজ বিন আলম (৩৪) নামে এক যুবকের মৃত্যুতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। 

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তুলেছে সংস্থাটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার হাতে গ্রেপ্তার হন শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের ‘সহযোগী’ হেজাজ। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। 

তার মৃত্যু নিয়ে এমএসএফ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, গত শনিবার জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেজাজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। 

“একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হেজাজের মৃত্যুর বিষয়ে তার পরিবার দাবি করেছে, জামিনে থাকার পরও ডিবি পুলিশ তাকে হাসপাতাল থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং তাদের হেফাজতেই মৃত্যু হয়।”

অন্যদিকে ডিবি হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়টি অস্বীকার করেন ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তার বরাতে এমএসএফের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু দিন আগে জামিনে বের হন হেজাজ। এরপর থেকে তিনি জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। 

“শনিবার ভোরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় মারা যান হেজাজ। যেহেতু তার নামে মামলা রয়েছে, তাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার সঙ্গে থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ উপস্থিত ছিল।” 

পুলিশ হেফাজতে গ্রেপ্তার ব্যক্তির মৃত্যু ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’ উল্লেখ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “এমএসএফ মনে করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার হেফাজতে মৃত্যুর বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা  গ্রহণযোগ্য নয়। 

“পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি রাখে। কারণ রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যু জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা যেকোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা পুলিশের আইনি দায়িত্ব।”

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “হেজাজের মৃত্যু নিয়ে পরিবার থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে এমএসএফ।”