১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফালুর ‘অর্থপাচার’ মামলা গেল অধিকতর তদন্তে

অভিযোগপত্রে ‘কিছু ত্রুটি পাওয়ায়’ অধিকতর তদন্তের আদেশ চেয়ে আবেদন করেছিল দুদক।

ফালুর ‘অর্থপাচার’ মামলা গেল অধিকতর তদন্তে

সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালু

আদালত প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Dec 2022, 07:06 PM

Updated : 01 Dec 2022, 11:11 PM

অফশোর কোম্পানি খুলে দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের এক আবেদনে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ সৈয়দ কামাল হোসেন বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ঠিক রেখেছেন তিনি।

দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে কিছু ঘাটতি খুঁজে পেয়েছে কমিশন। তাই মামলাটির অধিকতর তদন্ত করা প্রয়োজন। 

“কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৭ অক্টোবর আদালতে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ মামলায় অধিকতর তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।”

পুরানো খবর:

মানি লন্ডারিং: ফালুর বিরুদ্ধে মামলায় অধিকতর তদন্তের আবেদন

পুরানো খবর:

দুবাইয়ে অর্থ পাচারের মামলায় ফালুর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পুরানো খবর:

ফালু, ইকরামুজ্জামানসহ ৯ জনের দেশত্যাগে দুদকের নিষেধাজ্ঞা

২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে এ মামলা করে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দুবাইয়ে পাচার করা ওই অর্থ উপার্জনের কোনো উৎস তারা দেখাতে পারেননি। ওই অর্থ কীভাবে উপার্জন করা হয়েছে তার কোনো তথ্যপ্রমাণ আসামিদের কাছে নেই। দুবাইয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করার কথা তারা বাংলাদেশ ব্যাংককে কখনও জানাননি বা কোনো ধরনের অনুমতি নেননি।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মোসাদ্দেক আলী ফালু ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ প্রক্রিয়ায় দেশে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে অফসোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযেগপত্র দেন দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।  

সেখানে বলা হয়, মোসাদ্দেক আলী ফালু, একরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান ২০১০ সালে দুবাইয়ে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, থ্রি-স্টার লিমিটেড, ডেভেলপমেন্ট ইউএই নামে অফশোর কোম্পানি খোলেন। তারা বাংলাদেশে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচার করেন। দুবাইয়ে ওই অর্থ উপার্জনের কোনো উৎস তারা দেখাতে পারেননি।

ওই বছর ১৩ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ফালুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

মামলার অন্য দুই আসামি আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএকে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান জামিনে আছেন।