১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘টিকটকে পরীক্ষার খাতা’: আবার সতর্ক করা হল পরীক্ষকদের

“অভিযোগের বেশির ভাগই অন্য বোর্ডের। দু-একটি ঢাকা বোর্ডের, সেজন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি,” বলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কামাল উদ্দিন হায়দার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jul 2025, 09:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:24 PM

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম— টিকটকে পরীক্ষার খাতা দেখতে পাওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের আবার সতর্ক করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ড বলছে, এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার খাতা বা উত্তরপত্র অন্য কাউকে দিয়ে দেখালে বা মূল্যায়ন করালে পরীক্ষকদের জেল-জরিমানা হতে পারে।

এর আগে গত ৫ মে প্রথম দফায় এ বিষয়ে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের সতর্ক করা হয়। 

বৃহস্পতিবার এসএসসিতে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা ঢাকা বোর্ডে বিক্ষোভ করতে এসে অভিযোগ করেন, তারা এসএসসির খাতা ‘টিকটকে দেখতে পেয়েছেন’।

এ বিষয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার শনিবার বিকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পরীক্ষার খাতা টিকটকে দেখতে পাওয়ার যে অভিযোগ পরীক্ষার্থীরা তুলেছেন, আমরা খতিয়ে দেখেছি।

“অভিযোগের বেশির ভাগই অন্য শিক্ষা বোর্ডের। তবে দু-একটি ঢাকা বোর্ডের ঘটনা পাওয়া গেছে, সেজন্য দায়ী পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

তিনি বলেন, “পরীক্ষার খাতা অন্য কাউকে দিয়ে মূল্যায়ন বা বৃত্তভরাট করানো যে দণ্ডনীয় অপরাধ, সে বিষয়ে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের আবার সতর্ক করা হয়েছে। আমরা চিঠি পাঠিয়ে তাদের বিষয়টি আবার মনে করিয়ে দিয়েছি।”

শনিবার ঢাকা বোর্ড থেকে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, পরীক্ষা উত্তরপত্র পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের কাছে পবিত্র আমানত। 

“পরীক্ষার উত্তরপত্র পরীক্ষক বা প্রধান পরীক্ষক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি, শিক্ষার্থী বা পরিবারে অন্য কোনো সদস্যকে দিয়ে বৃত্ত ভরাট করা বা মূল্যায়ন করানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”

তাই পরীক্ষার খাতা বা উত্তরপত্র গোপনীয়তার সঙ্গে মূল্যায়ন এবং সংরক্ষণ করতে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।