হজের টাকা ফেরতের নামে প্রতারণা, সতর্ক করল ধর্ম মন্ত্রণালয়
হজের টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে ওই চক্র হজযাত্রী, হজ এজেন্সির মালিক, প্রতিনিধি ও হজ গাইডদের ফোন করে তাদের ডেবিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ ও নগদ ইত্যাদির তথ্য চাইছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে একটি চক্র টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাসে হজযাত্রী ও এজেন্সি মালিকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে সতর্ক করে মন্ত্রণালয়।
রোববার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, হজের টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে ওই চক্র হজযাত্রী, হজ এজেন্সির মালিক, প্রতিনিধি ও হজ গাইডদের ফোন করে তাদের ডেবিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ ও নগদ ইত্যাদির তথ্য চাইছে।
“ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে সম্মানিত হাজি, হজ এজেন্সি ও হজ গাইডদের অর্থ ফেরত (রিফান্ড) সরাসরি ব্যাংক হিসাবে অথবা চেকের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। এজন্য কোনো ডেবিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ ও নগদের তথ্য চাওয়া হয় না।”
ওই চক্রের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত ৯ অক্টোবর জননিরাপত্তা বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করার কথা জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। এর প্রেক্ষিতেই চিঠিটি ইস্যু করা।"
প্রায় প্রতিবছরই হজ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগে এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল, নিষিদ্ধ করাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
গত হজ মওসুমে ৬৮২ জন হজযাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে লুৎফর রহমান ফারুকী নামের একজনকে নিষিদ্ধ করেছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়; যার মালিকানাধীন হজ এজেন্সির অনুমোদন আগেও বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বাতিল করা হয়েছিল।
ওই ব্যক্তির জালিয়াতির কারণে ব্যাংক অর্থ স্থানান্তর না করায় এসব হজযাত্রীর হজে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
অভিযোগ উঠেছিল, লুৎফর মোনাজ্জেম হয়েও হজযাত্রীদের মক্কা-মদিনায় বাড়ি ভাড়া না করে, ভিসা না করে এবং বিমান টিকিট কেনার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ না করে গোপনে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন।
২০২৫ সালের হজের জন্য এখন প্রাথমিক নিবন্ধন চলছে। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
পুরনো খবর
