Published : 01 Apr 2026, 01:02 PM
শরীয়তপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির এক মামলায় ‘আপস’ হওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছেন বাদী।
২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে করা এ মামলায় বিএম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বুধবার বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার ১৪ তম মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার।
এরপর আপস হওয়ার কথা জানিয়ে মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতকে বলেন, মোজাম্মেলের হক খালাস পেলে তার ‘আপত্তি নেই’।
বিচারক এরপর এ মামলার রায়ের জন্য ৫ এপ্রিল দিন ধার্য করে দেন।
মোজাম্মেলের আইনজীবী মো. লিটন মিয়া বলেন, “আজকে চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগে করা মামলায় মোজাম্মেল হককে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার বাদীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের মধ্যে আপস মিমাংসা হয়ে গেছে। মামলার চার্জগঠনের পরে বাদী তার জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে বাদী মোজাম্মেলকে নির্দোষ দাবি করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন।”
বাদী ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে মোজাম্মেল হক খলিলুর রহমানকে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের পালিত লোকজনদের দিয়ে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন।
“নির্বাচনি খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দেন, অন্যথায় তাকে গুম করার হুমকি দেন। পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়।”
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ অগাস্ট খলিলুর রহমান আদালতে মামলা দায়ের করেন।
গেল বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।