১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিভিন্ন অঙ্গনের অতিথিদের নিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের ঊনিশ উদযাপন

ঢাকার র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১৯ বছর পূর্তি উদযাপনের আনন্দ আয়োজন পরিণত হয় অতিথিদের মিলনমেলায়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Oct 2025, 12:08 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:56 PM

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ যখন সাংবাদিকতা ও সংবাদসেবাকে আরেক বাঁক বদলের সামনে হাজির করছে, সেই সময় প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর উদযাপন করেছে দেশের প্রথম ইন্টারনেট সংবাদপত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

বাংলাদেশের সংবাদসেবাকে ডিজিটাল দুনিয়ায় পৌঁছে দেওয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ১৯ বছর পূর্ণ করেছে বৃহস্পতিবার। ঢাকার র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ আনন্দ আয়োজনে সঙ্গী ছিলেন বিভিন্ন অঙ্গনের অতিথিরা।

সরকার ও রাজনৈতিক দলের নীতি-নির্ধারকরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিচারপতি-আইনজীবী, ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা, কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী-ক্রীড়াবিদ-সংগঠক, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা আর নানা ক্ষেত্রে বাঁক বদলের সাক্ষীরা এসেছিলেন অনুষ্ঠানে।

ঊনিশ উদযাপনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহেদুল ইসলাম সেলিম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, চিন্তক ও কলামিস্ট ফরহাদ মাজহার, অভিনেত্রী ডলি জহুর, ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মাসহ রাজনৈতিক ও অন্যান্য অঙ্গনের ব্যক্তিত্বদের পাশে নিয়ে কেট কাটেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী।

কেক কাটার পর প্রধান সম্পাদক অতিথিদের সবাইকে নৈশ ভোজে আমন্ত্রণ জানান। তিনি হোটেল র‌্যাডিসনের আলো ঝলমলে বলরুমে ঘুরে ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিমিয় করেন। তাদের আপ্যায়ন করেন।

এর আগে অনুষ্ঠানে অতিথিরা এসে হাজির হওয়ার পর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বক্তব্য রাখেন। তিনি এবারের উদযাপনের স্লোগান ‘শুধুই সাংবাদিকতা, সবসময়!’- এর মাধ্যমে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১৯ বছরের কর্মদর্শন তুলে ধরেন।

এই চেতনা ধরে রেখে আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে তিনি মনে করিয়ে দেন সংবাদমাধ্যমের এখতিয়ারের সীমানা।

তিনি বলেন, “সংবাদমাধ্যম হিসেবে আমাদের কাজ খবর প্রকাশ করা। শাসন করা নয়, শাসকদের জবাবদিহির আওতায় আনাই আমাদের দায়িত্ব।”

প্রধান সম্পাদকের বক্তৃতার সময় গত ১৯ বছরের বড় বড় ঘটনার ছবি নিয়ে একটি স্লাইড শো দেখানো হয়। মাঝে ভিডিও প্রদর্শনী হয় বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের সাফল্যগাথাঁ নিয়ে।

ঊনিশ উদযাপনের অনুষ্ঠানস্থলে ছিল বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার সূচনা থেকে শুরু করে ১৯ বছরের যাত্রাপথের সচিত্র উপস্থাপন। একইসঙ্গে ছিল ডিজিটাল সংবাদ পরিবেশনার সঙ্গে সংবাদমাধ্যমটির নানা প্রকাশনার প্রদর্শনীও।

এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপনকে সামনে রেখে বের করা হয় একটি প্রকাশনা; যাতে লেখক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ নানা মত-পথের লেখা এক মলাটে এনেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ অনুষ্ঠান শুরুর কিছু আগে থেকেই একে একে অতিথিরা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এ আনন্দ আয়োজনে সঙ্গী হতে আসতে শুরু করেন।

হোটেল র‌্যাডিসনের আলো ঝলমলে বলরুমে এসে অনুষ্ঠানকে আরও উজ্জ্বল করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিবুন নবী খান সোহেল ও শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ডাকসুর সাবেক এজিএস ও বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দীন আলম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নুর মোহাম্মদ খান এবং তার কনা ব্যারিস্টার নুসরাত খান, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

রাজনীতিকদের মধ্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, দলটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন ছিলেন আয়োজনে।

চিন্তক ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহার, গবেষক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, সস্ত্রীক জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ ও বিপাশা আইচ, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম, লেখক খালেকুজ্জামান ইলিয়াস, গবেষক ও শিক্ষক কামালউদ্দিন কবির, কবি ও লেখক ব্রাত্য রাইসু, লেখক সাইদ আহমেদ খান ও কবি তাসনিম হোসেনও যোগ দেন এই আয়োজনে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে যোগ দেন বিচারপতি মজিবুর রহমান রহমান মিয়া ও বিচারপতি জাফর আহমেদ।

কূটনীতিকদের মধ্যে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা ও তার স্ত্রী মানু ভার্মা, উপ-হাই কমিশনার পবন বাধে, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদুলওয়াহাব সাইদানি, ঢাকা আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা, সিঙ্গাপুর হাই কমিশনের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিশেল লি ও সেকেন্ড সেক্রেটারি হিউ কক সিআঙ, কসোভোর অ্যাম্বাসেডর লুলজিম প্লানা, রুশ দূতাবাসের কর্মকর্তা সোফিয়া কোতেপভা ও নাদেজদা নাচারোভা, ঢাকায় ফিলিপাইন দূতাবাসের দুই অ্যাটাশে আর্থার এল ব্লাস ও মাইকেল রে এম. ক্যাস্টিলো এসেছিলেন আয়োজনে যোগ দিতে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত শাহেদ আখতার, মুন্সি ফয়েজ আহমদ, নাসিম ফেরদৌসও এসেছিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১৯ বছর পূর্তির আয়োজনে।

অনুষ্ঠানে এসেছিলেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী এবং অধিকার কর্মী ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক।

সাবেক মুখ্য সচিব এম আব্দুল করিম, সাবেক আইন সচিব গোলাম রাব্বানী, তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা, র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী এবং অতিরিক্ত শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা এবং ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার শিল্পী আসেন আয়োজনে।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য অধ্যাপক শামস রহমান ও বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম এসেছিলেন অনুষ্ঠানে। 

নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, অভিনেত্রী ডলি জহুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অভিনয়শিল্পী দম্পতি রহমত আলী ও ওয়াহিদা মল্লিক জলি, তারিক আনাম খান ও নিমা রহমান, অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, জীতু আহসান, শরিফুল রাজ, সুমন পাটোয়ারী, অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, মডেল সামিনা জামান রিবা ও নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত যোগ দিয়েছিলেন এ আয়োজনে।

সংগীত শিল্পীদের মধ্যে এসেছিলেন খুরশীদ আলম ও তার মেয়ে মেহনাজ আলম দিয়া, ফাতেমা তুজ জোহরা, ফেরদৌস আরা, অদিতি মহসিন, নকিব খান সংগীতশিল্পী নাসিম আলি খান, পথিক নবী, দিলশাদ নাহার কণা, ফিডব্যাক ব্যান্ডের ফোয়াদ নাসের ও লাবু রহমান, শিরোনামহীন ব্যান্ডের জিয়াউর রহমান জিয়া, ব্যান্ডশিল্পী এ কে রাহুল ও তার দল।

আরও ছিলেন অভিনেতা ও নির্মাতা সালাউদ্দিন লাভলু, নির্মাতা তানিম নূর, শঙ্খ দাশগুপ্ত, মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম ও অপরাজিতা সংগীতা।

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী, পারসোনার প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কানিস আলমাস খান, প্রাভা হেলথের  পরিচালক ডা. সিমিন আক্তার, রন্ধন‌শিল্পী রিতা খানম, বিশ্বরঙের ডিজাইনার বিপ্লব সাহা, যথাশিল্প কর্ণধারের শাওন আকন্দ, ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের পরিচালক এম হক ফয়সাল সঙ্গী হয়েছিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এ উদযাপনে। 

শুভেচ্ছা জানাতে আসেন বাংলাদেশের বন্ধু জুলিয়ান ফ্রান্সিস, সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও এহসানুল হক বাবু, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, আহমেদীয় মুসলিম জামায়াতের নায়েবে আমির আহমেদ তাবসীর চৌধুরী, এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান মুকুর।

আয়োজনে যোগ দেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বিটিএমএ’র সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)-এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর রুহুল আমিন এবং সেনা কল্যাণ সংস্থার বিজনেজ ডিভিশন-১ এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জুবায়ের হাসনাত ছিলেন আয়োজনে।

ব্যাংকের কর্তা ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান, শাহজলাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান-উজ জামান, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কান্ট্রি চিফ রিস্ক অফিসার ও সেলফ ক্রেডিট অফিসার) এনামুল হক, ট্রাস্ট ব্যাংকের হেড অব বিজনেস মাহবুব হোসেন, ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপক (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মো. আনোয়ার হোসেন  যোগ দেন অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে এসে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি স্থপতি আবু সাঈদ আহমেদ, ব্র্যাক ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (কমিউনিকেশন) ইকরাম কবির, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কর্মকর্তা বিটপি চৌধুরী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কো. পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসাইন, টিএমএফএসবিডির পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আজহার বিএন, ট্রপিকাল হাউজ লিমিটেডের পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) এম হক ফয়সাল, এশিয়া পাবলিশিং হাউজের চেয়ারম্যান শাহেদ আখতার, বিকাশের জনসংযোগ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার রুকসানা আক্তার মিলি, এইচ আর স্পেশালিস্ট সামিনা আমিন, করপোরেট মোটভিশনাল স্পিকার গোলাম সামদানি ডন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, সদস্য সর্বমিত্র চাকমা ও উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়া যুক্ত হয়েছিলেন এ আনন্দ আয়োজনে।

 ‍

ঊনিশের উদযাপন অনুষ্ঠানটি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের ফেইসবুক পেইজ https://www.facebook.com/bdnews24  

ও ইউটিউব চ্যানেলে https://www.youtube.com/@bdnews24 সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ঊনিশের পূর্বাপর

ঊনিশ বছর আগের এই দিন ২৩ অক্টোবর নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ২৪ ঘণ্টার পথচলা। বাংলাদেশে ডিজিটাল সংবাদ যুগের সূচনা তখনই।

১৯ বছরের পথচলায় সংবাদের মোড়কে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কার্যত ইতিহাস গ্রন্থনার কাজটিই করে গেছে। নিত্য নতুন উদ্ভাবনে উন্মোচন করে গেছে নতুন নতুন সংবাদ সেবা, যে পথ ধরে এগিয়ে এসেছে আরো অনেকে।

এদিনের বর্ণিল আয়োজনে বলরুমে প্রবেশ পথেই ডিজিটাল স্ক্রিনে অডিও-ভিজ্যুয়াল আর বিলবোর্ডে বিভিন্ন সময়ের ছবিতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হার না মানা পথ-পরিক্রমার নানা দিক তুলে ধরা হয়।

অডিও-ভিজ্যুয়ালে উঠে আসে বহু বাধার মুখেও বিগত দিনে পাঠক-দর্শকদের ভরসা জায়গা হয়ে ‘সবার আগে সঠিক সংবাদ’ দেওয়ার যাত্রা। 

সময়ের উদ্ভাবনী মেজাজকে ধারণ করে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ওয়েবসাইটে যুক্ত হয়েছে ‘মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট’। মোবাইল ফোনে সংবাদ সেবা, ইংরেজি ও বাংলায় ব্রেকিং নিউজ ও নিউজ অ্যালার্ট সেবায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমই বাংলাদেশে পথিকৃৎ। সব বয়সী, সব রুচির পাঠকের জন্যই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ডিজিটাল মাধ্যমে তৈরি করেছে আলাদা আলাদা ক্ষেত্র।

২০১৩ সালে দেশে নানা ঘটনায় মানুষের খবর জানার আগ্রহ যখন তুঙ্গে, গুগল অ্যানালিটিকসে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ইউনিক ভিজিটর পৌঁছে যায় ৪৩ লাখে; নিকটতম প্রতিযোগী তখনও ২১ লাখে। এরপর উত্থান পতনে এগিয়েছে পরিসংখ্যান, টেনে ধরার চেষ্টা হয়েছে নানাভাবে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও পাঠক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে সঙ্গে পেয়েছে সর্বক্ষণ। ২০১১ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম যখন পঞ্চম বর্ষপূতি উদযাপন করে, ফেইসবুকে অনুসরণকারীর সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ২৫৭। পরের ১৪ বছরে তা কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

পাঠকের জন্য ২৪ ঘণ্টা দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ঘটনার খবর বাংলা ও ইংরেজি- দুই ভাষায় বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ নিয়ে আসা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এই পথচলা সবসময় মসৃণ ছিল না।

সংবাদমাধ্যমটির একজন মুখপাত্র বলেন, “যখন আমরা শুরু করেছিলাম, ইন্টারনেট আর স্মার্টফোনের মত প্রযুক্তি তখন আমাদের চেনা পৃথিবীর পুরনো কাঠামোকে নতুন আদল দিচ্ছিল। সেই পরিবর্তনের সঙ্গী হয়ে বাংলাদেশের সংবাদসেবার ডিজিটাল রূপান্তরে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

“এখন বিশ্ব আরেক নতুন প্রযুক্তির মুখোমুখি, যা বদলে দেবে অনেক কিছু। সাংবাদিকতা আর সংবাদসেবায় সেই পরিবর্তন যেন ধংসাত্মক না হয়ে সহায়ক হয়, তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখার দায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম অনুভব করে।”

তিনি বলেন, “বিগত বছরগুলোতে তথাকথিত জনপ্রিয় ধারার বিপরীতে দায়িত্বশীল সম্পাদকীয় অবস্থান ধরে রাখতে পারা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। সেই অঙ্গীকার ধরে রেখেই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম পরিবর্তনের অভিযাত্রায় পাঠকের সঙ্গে থাকতে চায়।”

‘শুধুই সাংবাদিকতা, সবসময়!’ এর ১৯

শুরুটা হয়েছিল ২০০৫ সালের প্রথমার্ধে। অন্যান্য বার্তা সংস্থার মতো ‘বিডিনিউজ’ তখন সংবাদ মাধ্যমগুলোর জন্য খবর সরবরাহ করত। দেশের অন্য সংবাদ সংস্থাগুলো টেলিপ্রিন্টারে খবর সরবরাহ করলেও বিডিনিউজ কাজটি শুরু করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

২০০৬ সালে বার্তা সংস্থাটির মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা বদলের পর এর খোল-নলচে বদলে যায়। সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর নেতৃত্বে নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ সংবাদমাধ্যমকে দেশের প্রথম ডটকম কোম্পানির রূপ দেয়। ২৩ অক্টোবর নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ২৪ ঘণ্টার পথচলা। বাংলাদেশে ডিজিটাল সংবাদ যুগের সূচনা তখনই।

এবারের অনুষ্ঠান স্থলে বিলবোর্ডের উপস্থাপনায় উঠে আসে ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর ডিজিটাল মাধ্যমে প্রথম সংবাদ সেবা থেকে শুরু করে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের অনেক প্রথমের জন্ম দেওয়ার সচিত্র ঘটনা বলি।

২০০৭ সালে মোবাইল ফোনে দেশের প্রথম অ্যালার্ট সার্ভিস থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রথম বাংলা ওয়্যাপ সাইট চালু, নাগরিক সাংবাদিকতার প্রথম বাংলাদেশি সাইট, শিশুদের জন্য প্রথম সাংবাদিকতার ওয়েবসাইট, বাংলায় খবরের প্রথম এসএমএস সার্ভিস রয়েছে এই তালিকায়।

১৯ বছরের পথচলায় সংবাদের মোড়কে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কার্যত ইতিহাস গ্রন্থনার কাজটিই করে গেছে। নিত্য নতুন উদ্ভাবনে উন্মোচন করে গেছে নতুন নতুন সংবাদ সেবা, যে পথ ধরে এগিয়ে এসেছে আরো অনেকে।