Published : 13 Oct 2024, 07:03 PM
দেশে সংস্কারের মাধ্যমে ‘নতুন ধারা’ প্রবর্তনে কাজ করা তরুণদের সাফল্য কামনার পাশাপাশি জুলাই-অগাস্টের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি বলেছেন, “আজকে নতুন করে আমাদের তরুণেরা তাদের জীবন উৎসর্গ করে যেভাবে এ দেশে একটি নতুন ধারা প্রবর্তনের চেষ্টা করছেন, তারা সাফল্য লাভ করুক, এই কামনা করি। সেই সঙ্গে এই জুলাই-অগাস্টে যারা শহীদ হয়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন, তাদেরকেও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।”
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রোববার সকালে বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের’ সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের’ সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাখেন মো. সাহাবুদ্দিন।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। জাতীয় অগ্ৰগতি ও সমৃদ্ধি তরান্বিত করতে সমাজের বিদ্যমান সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ অটুট রাখতে হবে।
“পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের বন্ধনে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি প্রগতিশীল ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হোক এবারের বিজয়ার অঙ্গীকার।”
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের’ সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় দেশের বন্যাকবলিত সহায়-সম্বলহীন মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান রাখেন মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি বলেন, “সকল ধর্মের মূল বাণী মানব কল্যাণ। আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে সবাই একই সূত্রে গাঁথা। এখানে মেজরিটি বা মাইনরিটির কোনো স্থান নেই; সবাই এক এবং অভিন্ন সত্ত্বা। ধর্মীয় মূল্যবোধকে দেশ ও জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।”
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের’ সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রেবেকা সুলতানা, ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় উপস্থিত ছিলেন।