১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলা: বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের দাবি

বিচারিক আদালতে রায়ের পর মামলাগুলো যেন উচ্চ আদালতে অযথা ঝুলে না থাকে, সে জন্য রাষ্ট্রপক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 May 2026, 10:11 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:41 PM

নারী, শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলার জন্য আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের দাবি তুলেছে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারপারসন এলিনা খান এ দাবি তুলে ধরেন।

বিচারিক আদালতে রায়ের পর মামলাগুলো যেন উচ্চ আদালতে অযথা ঝুলে না থাকে, সে জন্য রাষ্ট্রপক্ষকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান করে তিনি বলেন, “এ জন্য আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা মামলার জন্য বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে।

“একইসঙ্গে পোস্টমর্টেম, ডিএনএ, ভিসেরা ও ফরেনসিক প্রতিবেদন সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এসব প্রতিবেদন পেতে বছরের পর বছর সময় লেগে যায়। এতে বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হয় এবং পরে সাক্ষী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।”

তিনি আলোচিত শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার ওপর আলোকপাত করে বলেন, “শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো জাতির বিবেককে এই একটি ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে।”

রামিসার বাবার ‘আমি বিচার চাই না’ বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “একজন বাবার মুখে এমন কথা রাষ্ট্রের প্রতি গভীর অনাস্থার প্রতিচ্ছবি। অতীতে বহু আলোচিত মামলায় তদন্ত ত্রুটি ও বিচার বিলম্বের কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে।”

তদন্তে গাফিলতি, ফরেনসিক প্রতিবেদন দেরিতে পাওয়া বা আটকে রাখা, সাক্ষী সুরক্ষার যথেষ্ট অভাব এবং আদালতে বছরের পর বছর মামলা ঝুলে থাকার কারণে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ এলিনা খানের।