ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল

রাজনৈতিক ও পরিবেশ আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক পত্রিকা ‘পরিবেশ বার্তা’র সম্পাদক। ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি।
ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল
মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে, শহীদ রাজু গুমরে কাঁদে!
যে রাজু ভাস্কর্য আজ আর দলীয় গণ্ডিতে নয় বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় সব আন্দোলন ও লড়াই-সংগ্রামের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, তাকে কেন ঢেকে দিতে হবে?
ছোট আর মেজদের নিয়ে আবারও বড় দলের নির্বাচন!
নির্বাচনকে বৈধ করার জন্য নানা ধরনের তৎপরতা চলছে। হঠাৎ করেই নানান নতুন নতুন দল এবং সেই সব দলের জোট নিয়ে ব্যাপক তোড়জোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে গত কিছু দিন ধরে।
ভোট নাকি ভাত, ভাত নাকি ভোট
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। এদেশে ভোট আর ভাতের অধিকার একই সূত্রে গাঁথা।
রাজনীতি থেকে রাজনীতিটাই নাই হয়ে গেছে
রাজনীতিকদের মধ্যে যে ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা দেখছি, তারা নিজেরা তা দেখতে পাচ্ছেন না। কেননা, তাদের তো নেংটো রাজাকে তোমার জামা কই বলার মতো কেউ নেই। তাদের ঘিরে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেই তৈরি হয়েছে স্তাবকশ্রেণি।
শ্রমিক আন্দোলনের পথের দিশা কোথায়
বাংলাদেশের সকল শ্রমিক ইউনিয়নের দিকে তাকালেই আমরা দেখতে পাই, নেতৃত্বে বসে আছে ওই শ্রমিক শ্রেণিবহির্ভূত মানুষ। আজকের দিনে দেখা যায় ক্ষমতাসীন দলের লোকই একজন এলিট শ্রমিক নেতা, হয়তো সংসদ সদস্যও।
আমরা সবুজে ফিরেছিলাম!
শহরের ঋণ! ঋণের শহর!
কেউ গ্রামে ফিরে যায়, কেউবা গ্রামে ফিরতে চায়!