Published : 04 Jan 2026, 09:32 PM
আগের ধারাবাহিকতায় এবারও ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি হবে ‘জাতীয় কবিতা উৎসব’।
‘সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দিবে কবিতা’- প্রতিপাদ্য নিয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার চত্বরের পরিবর্তে এ আয়োজন হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে।
রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন মিলনায়তনে জাতীয় কবিতা পরিষদ সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরে।
দুই দিনের উৎসবে দেশ-বিদেশের কবি, লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিকরা অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের তরফে বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কবিতা উৎসবে অংশ নিতে নিবন্ধনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সুইমিংপুল চত্বরে জাতীয় কবিতা উৎসবের অস্থায়ী দফতর স্থাপন করা হয়েছে। এটি প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। নিবন্ধনের ফি ধরা হয়েছে ২০০ টাকা। রোববার থেকে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনও করা যাচ্ছে।
রেজিস্ট্রেশনের সময় দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও দুটি কবিতার দুই কপি করে জমা দিতে হবে বলে জানান উৎসবের আয়োজকেরা।
উৎসবের উদ্বোধন করবেন জুলাই আন্দোলনের সময় শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান।
উৎসবের দু’দিনেই চলবে সেমিনার, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা।
গত শতকের আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় জাতীয় কবিতা পরিষদের জন্মের ক্ষেত্র তৈরি হয়। ১৯৮৭ সালে প্রথম কবিতা উৎসবের নেতৃত্ব দেন কবি শামসুর রাহমান। সেই থেকে নানা দেশের নানা ভাষার কয়েকশ কবি এতে অংশ নেন।
লিখিত বক্তব্যে জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মোহন রায়হান বলেন, বিগত চার দশকে কবিতা উৎসব দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি সুখ্যাত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এবার হবে ৩৮তম আসর।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, ১৭ বছরের অন্ধকার দূরীভূত করে সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় কবিতা পরিষদ।
আরও বক্তব্য দেন কবি হাসান হাফিজ, কবি মতিন বৈরাগী, কবি অনামিকা হক লিলি ও কবি শাহীন চৌধুরী।
অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করা যাবে এ দুই ওয়েবসাইটে।