২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মুন্সীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবক নিহত, আহত ১০

জসিমের পরিবার বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ছিল।

মুন্সীগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবক নিহত, আহত ১০
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরআব্দুল্লাহ গ্রামের জসিম উদ্দিন।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Feb 2026, 12:31 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:57 PM

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনি সহিংসতায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।  

শুক্রবার বিকালে উপজেলার চরআব্দুল্লাহ গ্রামে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে সদর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম জানান।

তিনি বলেন, “পূর্ববিরোধ এবং নির্বাচনি দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

আহত অবস্থায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে রাতে একজন মারা যান। 

নিহত ব্যক্তির নাম জসিম উদ্দিন। তিনি ওই গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। তার পরিবার বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা কমিটির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক।   

এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন।

সহিংসতার ঘটনায় নিহতের বাবা মাফিক নায়েব এবং বড় ভাই মসিউর নায়েব ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। অন্যরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।  

জসিমের বড় ভাই মসিউর নায়েব বলেন, “আমরা ফুটবল প্রতীকের নির্বাচন করেছিলাম। এটাই আমাদের একমাত্র দোষ। আমরা কখনও কারো সঙ্গে কোনো অন্যায় করিনি। কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতাও ছিল না। 

“বিকালে নাসির ডাক্তার ও তার ছেলে শাকিল দেওয়ানের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন আমাদের বাড়িতে আসে। তারা আমাদের উপর হামলা চালায়। আমার ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।”

শাকিল সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক।

তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সকালে জসিম উদ্দিনের লোকজন আমাদের সমর্থকদের উপর হামলা করে। পরে আমি এ ঘটনায় অভিযোগ করতে থানায় যাই। তখন জসিম ও তার লোকজন এলাকা থেকে বের হয়ে যেতে পুনরায় আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। পরে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে জসিমদের মারধর করেছে। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।”