১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মোটরসাইকেল চলাচলে কড়াকড়ি, চেকপোস্টে তল্লাশি

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো চেকপোস্টে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্টিকার রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Feb 2026, 12:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:55 PM

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৭২ ঘণ্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

ভোটের পরদিন, অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত স্টিকারধারী মোটরসাইকেল চলতে পারবে।

বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো চেকপোস্টে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্টিকার রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। 

নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

সেখানে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল অনুসারে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী মধ্যরাত, অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিক আপ, মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ থাকবে। 

সেই সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

ওই নির্দেশনায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে সাধারণের জন্য অনুমোদিত কার্ড ও স্টিকার ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্য ও সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন; আত্মীয়-স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমানবন্দর থেকে যাত্রী বা আত্মীয়-স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ দেখাতে হবে) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না। 

এছাড়া প্রত্যেক প্রার্থী একটি, প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্টের (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) জন্য একটি গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। 

এছাড়া সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন/মোটর সাইকেল নির্বাচন কমিশন/রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি দেওয়া যাবে।

আবার নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটর সাইকেল চলাচল, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি হতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। 

এছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ছাড়াও আন্তঃজেলা বা মহনগর থেকে বাহির বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।

ভোটের দিন একই শর্ত সাপেক্ষে নৌ-যান চলাচলও বন্ধ থাকবে।