ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: ‘জামায়াত নেতার বক্তব্য কুরুচিপূর্ণ’
পাথরঘাটার গোলচত্বরে ওই মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় কলেজ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নিয়ে বরগুনার জামায়াতে ইসলামীর নেতার বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পাথরঘাটায় মানববন্ধন হয়েছে।
সোমবার দুপুরে পাথরঘাটার গোলচত্বরে ওই মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয় কলেজ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
শনিবার রাতে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসান এক নির্বাচনি জনসভায় বলেন, “আমরা দেখছি ডাকসু নির্বাচনের পরে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।”
তার এ কথার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবক সোহানুর রহমান সোহানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পাথরঘাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাইদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজী মোহাম্মদ মহসিন হলের সাবেক শিক্ষার্থী ইউনুস আলী রাহুল, পাথরঘাটা কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব সরকার ও মো. রাকিব।
সহকারী অধ্যাপক জাইদুর রহমান বলেন, “জামায়াত নেতা শামীম আহসানের বক্তব্য বিতর্কিত, কুরুচিপূর্ণ ও বিবেকবর্জিত। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে যত রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় হয়েছে সবগুলো থেকে জাতি উত্তরণ পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বে দিয়েছে।
তিনি বলেন, “একজন শিক্ষক মানুষ কীভাবে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতে পারে, এই বিতর্কিত ভাষা কিভাবে তার মুখে আসে তা আমার জানা নেই। তার তো শিক্ষকতা করার কোনো যোগ্যতাই নেই।”
