০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হেনরি কিসিঞ্জারের এক জীবন

প্রয়াত এই কূটনীতিক যে ভূমিকা পালন করেছিলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব সহসাই ফুরিয়ে যাবে না।

রয়টার্স

Published : 30 Nov 2023, 09:20 PM

Updated : 01 Dec 2023, 12:38 AM

তুখোড় রাজনৈতিক মেধা আর কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য নিজ দেশে হেনরি কিসিঞ্জার যতটা সমাদৃত হয়েছিলেন, বিশ্বের নানা প্রান্তে যুদ্ধ-সংঘাতের ‘কারিগর’ হিসেবে হয়েছিলেন ততটাই নিন্দিত।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্রয়াত কিসিঞ্জার। তিনি যে ভূমিকা পালন করেছিলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব সহসাই শেষ হবে না। কিসিঞ্জারের কর্মময় কিছু জীবনচিত্র:

Image

ওভাল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সঙ্গে হেনরি কিসিঞ্জার, ১৯৭৩ সাল। ছবি: রয়টার্স

Image

১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনে যাওয়ার সময় এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে নিক্সনের সঙ্গে আলাপচারিতায় কিসিঞ্জার। ছবি: রয়টার্স।

Image

 ১৯৭৪ সালে রাশিয়ায় সোভিয়েত নেতাদের একটি সম্মেলনে যাওয়ার আগে ট্রেনে কথা বলছেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গেরাল্ড ফোর্ড এবং হেনরি কিসিঞ্জার। ছবি: রয়টার্স।

Image

স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও (১৯৪৫-১৯৯১) যুক্তরাষ্ট্র এবং তৎকালীন ইউএসএসআর এর মধ্যে দেতেন্তে বা সহযোগিতার যুগান্তকারী নীতিতে সোচ্চার ছিলেন কিসিঞ্জার। ১৯৭৪ সালে রাশিয়ায় ভ্লাগিভেস্কোকগামী ট্রেনে অন্যান্যদের নিয়ে সোভিয়েত নেতা ব্রেজনেভ (ডান থেকে দ্বিতীয়) ও প্রেসিডেন্ট ফোর্ড (বাঁ থেকে দ্বিতীয়) এর সঙ্গে কিসিঞ্জারের (বাঁয়ে) আলোচনা। ছবি: রয়টার্স।

Image

চীনের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে মাও সেতুংয়ের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন কিসিঞ্জার। ছবি: রয়টার্স।

Image

মৃত্যুর কয়েকমাস আগে এ বছরই ফের নতুন করে চীন সফরে গিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ  অভ্যর্থনা পান কিসিঞ্জার। বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হেনরি কিসিঞ্জার, ২০২৩ জুলাই। ছবি: রয়টার্স।

Image

ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়ানো নিয়ে সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন কিসিঞ্জার। ১৯৭৫ সালের এপ্রিলে হোয়াইট হাউজে সেই সময়কার প্রেসিডেন্ট ফোর্ড এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট রকফেলারের সঙ্গে  দক্ষিণ ভিয়েতনাম পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন কিসিঞ্জার। ছবি: রয়টার্স।

Image

ভিয়েতনামে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা এবং প্যারিস শান্তি চুক্তি সইয়ের দুদিন পরই উত্তর ভিয়েতনামের জেনারেল, কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ লি ডাক থোর সঙ্গে কিসিঞ্জারের জন্যও নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ঘোষণা বিশ্বজুড়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি করে। কারণ,ওই শান্তি চু্ক্তি ছিল মূলত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি; যার মধ্য দিয়ে ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সুযোগ পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

Image

১৯৭৯ সালে ইসরায়েল এবং মিশরের মধ্যে শান্তিচুক্তি করে প্রথম আরব-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় সফলতা পান কিসিঞ্জার। ১৯৭৭ সালে হোয়াইট হাউজের কেবিনেট রুমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফোর্ড ও কংগ্রেসের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের সময় মিশরের সিনাই উপদ্বীপের একটি মানচিত্র দেখাচ্ছেন হেনরি কিসিঞ্জার। ছবি: রয়টার্স।