নির্বাচনী ধাক্কা, মন্ত্রিসভায় কিছু রদবদলের ঘোষণা ট্রাম্পের
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর মন্ত্রিসভায় রদবদলের ঘোষণা দিয়ে স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউজের নতুন চিফ অব স্টাফ নিয়োগ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষ হারানোর পর তিনি মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছেন।
সিবিএস নিউজ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাউকে বরখাস্ত করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, তিনি সেটি করবেন। "হ্যাঁ, আমি করব। কিছু ক্ষেত্রে”, বলেন ট্রাম্প।
তিনি আরও বলেন, "আমি আমার মন্ত্রিসভাকে ভালোবাসি। আমি মনে করি তারা ভালো। তবে আমি... হয়ত কিছু পরিবর্তন করব।"
ট্রাম্প যখন সুসি ওয়াইলসকে হোয়াইট হাউজের চিফ অফ স্টাফ পদ থেকে সরিয়ে স্টিফেন মিলারকে সেই দায়িত্বে আনার ঘোষণা দেন, তখন তার প্রশাসনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনার বিষয়ে একথা বলেন।
ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ওয়াইলস এখন প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক কার্যক্রমে চলে যাবেন। সিবিএস নিউজে ট্রাম্পের এই সাক্ষাৎকারটি রোববার সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।
হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসকে সরানো প্রশাসনে বড় রদবদলের কেবল একটি সূচনা বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
সিবিএস নিউজের '৬০ মিনিটস' অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনে আরও রদবদলের ইঙ্গিত দিলেও কারা সেই পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারেন তা জানাননি তিনি।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বর্তমানে চরম রাজনৈতিক ঝুঁকিতে আছেন। গত ৩ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর ইরান যুদ্ধের ব্যর্থতার দায় হেগসেথের ওপর চাপিয়ে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হেগসেথকে সরিয়ে দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা তার নেই।
হেগসেথের ওপর আস্থা রয়েছে কি না—সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, "হ্যাঁ আমার আস্থা আছে। আমরা দুটো যুদ্ধ জিতেছি। ভেনেজুয়েলা এবং ইরানে।”
