ফের সংঘর্ষে জড়াল আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান

এই দুই প্রতিবেশী দেশ ফের বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘাতে জাড়িয়ে পড়তে পারে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Sept 2022, 09:29 AM
Updated : 14 Sept 2022, 09:29 AM

প্রাণঘাতী সংঘাতে উভয়পক্ষের প্রায় ১০০ সেনা নিহত হওয়ার একদিন পরই আবার সংঘর্ষে জড়িয়েছে সাবেক দুই সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।

সোমবার রাতভর সংঘর্ষে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অন্তত ৪৯ আর্মেনিয়ান এবং ৫০ আজারবাইজানীয় সেনা নিহত হয়, এরপর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও একদিন পর বুধবার ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে তারা; খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। 

সহিংসতার জন্য ইয়েরেভান ও বাকু, উভয়েই একে অপরকে দায় দিয়েছে আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

রাশিয়ার সামরিক বাহিনী যখন ইউক্রেইন আক্রমণ নিয়ে ব্যস্ত আছে তখন এই দুই প্রতিবেশী দেশ ফের বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘাতে জাড়িয়ে পড়তে পারে এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তা রাশিয়ার ও তুরস্কের মতো শক্তিকে এ সংঘাতে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করবে আর তেল ও গ্যাসবাহী পাইপলাইন যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি করিডোরকে অস্থিতিশীল করে তুলবে, ঠিক ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যেমনটি হচ্ছে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার আজারবাইজানকে অভিযুক্ত করে বলেছে, তারা কামান, মর্টার ও ছোট অস্ত্র নিয়ে নতুন করে হামলা শুরু করেছে।

আজারবাইজান তাদের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা শুরু করেছে, ফের এমন অভিযোগ জানিয়ে আর্মেনিয়া বলেছে, “আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সীমান্ত পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে আছে।”  

অপরদিকে আজারবাইজান আর্মেনিয়ার দিকে আঙুল তুলে বলেছে, আজারবাইজানের সামরিক ইউনিটগুলোর ওপর মর্টার ও কামানের গোলা ছুড়ছে তারা।

আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই মূহুর্তে আমাদের অবস্থানগুলোর বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে গুলি চালানো হচ্ছে।”

দুই পক্ষের যুদ্ধক্ষেত্রের এসব ভাষ্য রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে।

আর্মেনিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সামরিক মিত্রতা এবং দেশটিতে মস্কোর সামরিক ঘাঁটি আছে। অপরদিকে আজারবাইজানকে রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন দিয়ে আসছে মিত্র তুরস্ক।

আরও পড়ুন: 

Also Read: আর্মেনিয়া-আজারবাইজান: রাতভর সংঘর্ষে নিহত প্রায় ১০০

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক