১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউক্রেইনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির পর হড়কা বানে ৯ জনের মৃত্যু

পাঁচজনের এক পরিবার একটি ভবনের নিচতলায় থাকতেন, পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ার পর আর ফিরে আসতে পারেননি তারা।

ইউক্রেইনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির পর হড়কা বানে ৯ জনের মৃত্যু
কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে ওদেসার বহু রাস্তা প্লাবিত হয়। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Oct 2025, 04:17 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:23 PM

ইউক্রেইনের দক্ষিণাঞ্চলে সারাদিন ধরে প্রবল বৃষ্টির পর ওদেসা শহরে হড়কা বানে এক পরিবারের পাঁচজনসহ অন্তত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, উঁচু এলাকা নেমে আসা পানির প্রবল ধারা ওই পরিবারটির সদস্যদের তাদের ফ্ল্যাট থেকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। 

টেলিগ্রাম অ্যাপে জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, তাদের টিমগুলো প্রায় ৩৬২ জন মানুষকে উদ্ধার করতে রাতভর কাজ করেছে এবং ভবনগুলো থেকে পাম্প করে পানি সরিয়েছে। 

রয়টার্স জানিয়েছে, জরুরি পরিষেবা লোকজনকে উদ্ধার করার কিছু ছবিও পোস্ট করেছে। সেগুলোতে দেখা গেছে, উদ্ধারকারীরা পানিতে আটকা পরা একটা বাস থেকে আরোহীদের সরিয়ে নিচ্ছেন। অন্য ছবিগুলোতে তাদের ডুবে যাওয়া গাড়ি উদ্ধার করতে দেখা গেছে।  

উদ্ধারকারীরা পানিতে আটকা পরা একটা বাস থেকে আরোহীদের সরিয়ে নিচ্ছেন। ছবি: রয়টার্স

উদ্ধারকারীরা পানিতে আটকা পরা একটা বাস থেকে আরোহীদের সরিয়ে নিচ্ছেন

জরুরি পরিষেবা বলেছে, “এখন পর্যন্ত একটি শিশুসহ নয়জনের মৃত্যুর কথা জানা গেছে।” 

জরুরি পরিষেবার ওদেসা অঞ্চলের মুখপাত্র মারিনা আভয়েরিনা ইউক্রেইনীয় টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, পাঁচজনের এক পরিবার একটি ভবনের নিচতলায় থাকতেন, পানির তোড়ে তারা ভেসে যাওয়ার পর আর ফিরে আসতে পারেননি। 

আভয়েরিনা জানান, একটি রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকা আরও তিন নারীও পানির তোড়ে ভেসে যান। তাদেরও মৃত্যু হয়েছে। 

জরুরি পরিষেবার কর্মীদের ডুবে যাওয়া গাড়ি উদ্ধার করতে দেখা গেছে।  ছবি: রয়টার্স

জরুরি পরিষেবার কর্মীদের ডুবে যাওয়া গাড়ি উদ্ধার করতে দেখা গেছে

ওদেসার মেয়র হেন্নাদি ত্রুখানভ এর আগে টেলিগ্রামে বলেন, “মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে ওদেসায় দুই মাসের সমপরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। কোনো ড্রেনেজ পদ্ধতি একসঙ্গে এতো চাপ নিতে পারে না।” 

অঞ্চলটির গভর্নর ওলেখ কিপার জানিয়েছেন, অঞ্চলটি এখন দ্বিতীয় দিনের মতো প্রবল বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। রাস্তাগুলো প্লাবিত হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে, সম্পদ হানি হয়েছে এবং বহু গাছ উপড়ে পড়েছে।  

তিনি জানান, উদ্ধার প্রচেষ্টায় পাঁচ শতাধিক কর্মী নিয়োজিত আছেন। অঞ্চলটির ৩২টি শহর ও গ্রামের ৪২ হাজার গ্রাহক এখনও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছেন।