১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহীসহ নজরদারি বিমান নিখোঁজ

এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সময় বিমানটিতে আটজন ক্রু ও তিনজন যাত্রী ছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহীসহ নজরদারি বিমান নিখোঁজ
বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে দক্ষিণ সুলাওয়েসির রাজধানী মাকাসারের দিকে যাচ্ছিল। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Jan 2026, 12:33 AM

Updated : 26 Aug 2026, 05:35 PM

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহীসহ একটি এটিআর ৪২-৫০০ মৎস নজরদারি বিমান নিখোঁজ হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিমানটির সন্ধানে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। 

স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তা আনদি সুলতান রয়টার্সকে জানান, শনিবার স্থানীয় সময় ১টা ৩০ মিনিটের দিকে দেশটির বিমান সংস্থা ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের এই নজরদারি বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি তখন দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস অঞ্চলের আশপাশে ছিল। 

সুলতান জানান, ইয়োগিয়াকার্তা প্রদেশ থেকে রওনা হওয়া বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে দক্ষিণ সুলাওয়েসির রাজধানী মাকাসারের দিকে যাচ্ছিল। এতে আটজন ক্রু ও তিনজন যাত্রী ছিলেন।

তিনি আরও জানান, বিমানটি ও এর আরোহীদের খোঁজে তল্লাশি চালাতে সামরিক বাহিনী ও পুলিশের ইউনিটসহ প্রায় ৪০০ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রচেষ্টা বিঘ্নিত হচ্ছে।    

তবে সম্ভাব্য কী কারণে বিমানটি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারে, এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সুলতান।  

তিনি বলেন, “আমরা সন্দেহ করছি বিমানটি বুলুসারাং পর্বতের শিখরের কাছাকাছি কোথাও পড়েছে। আমরা আমাদের লোকজনকে সেখানে মোতায়েন করেছি।” 

ইন্দোনেশিয়ার সাগর ও মৎস মন্ত্রণালয় বিমানটি ভাড়া করেছিল বলে মন্ত্রণালয়টি কর্মকর্তা পুং নুগরোহ সাকসোনো রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা অন্তরাকে জানিয়েছেন। 

দেশটির সাগর ও মৎস মন্ত্রী সাকতি ওয়াহিউ ট্রেঙ্গোনো জানিয়েছেন, বিমানটিতে যে তিনজন যাত্রী ছিলেন তারা মন্ত্রণালয়ের কর্মী। তারা সাগরে মাছ ধরার ক্ষেত্রে নজরদারিরত ছিলেন। 

এটিআর ৪২-৫০০ একটি আঞ্চলিক টার্বোপ্রপ বিমান। এই বিমানের যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪২ থেকে ৫০ জন।  

ফ্লাইটরেডার২৪ এর তথ্য থেকে জানা গেছে, উপরের বর্ণনার সঙ্গে মিলে যায় এমন একটি বিমান জাভা সাগরের প্রায় ১১ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ে পূর্ব দিকে যাচ্ছিল, এর এক পর্যায়ে ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেটি দ্রুত নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছিল। তবে ওয়েবসাইটটির এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।