১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

তুরস্কে আইএসের জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৭ পুলিশ আহত

গত সপ্তাহে ইস্তাম্বুলের প্রধান কৌঁসুলির দপ্তর জানিয়েছিল, আইএসের জঙ্গিরা অমুসলিমদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে।

তুরস্কে আইএসের জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৭ পুলিশ আহত
ঘটনাস্থলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলছে। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Dec 2025, 04:08 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:26 PM

তুরস্কের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে সন্দেহভাজন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৭ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম। 

ঘটনাস্থলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক।

তিনি জানান, ইয়ালোভা প্রদেশের ওই ঘটনাস্থল থেকে বিক্ষিপ্ত গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। সেখানে একটি বাড়িতে জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়ে আছে এমন খবরে রাতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

ইয়ালোভা ইস্তাম্বুলের দক্ষিণে মারমারা সাগরের উপকূলীয় একটি প্রদেশ। পুলিশ ওই বাড়ির দিকে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযান এখনও চলছে।

ওই প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ঘটনাস্থলের একটি জায়গায় আগুন জ্বলছে আর সেখান থেকে ধোঁয়া উঠছে। উপরে পুলিশের হেলিকপ্টারগুলো উড়ছে। আশপাশে অনেকগুলো অ্যাম্বুলেন্স ও দমকল বাহিনীর গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।  

নিকটবর্তী একটি জায়গায় আগুন জ্বলছে। ছবি: রয়টার্স 

নিকটবর্তী একটি জায়গায় আগুন জ্বলছে

তুরস্ক পুলিশ গত সপ্তাহে ১১৫ জন সন্দেহভাজন আইএস সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা দেশটিতে খ্রিস্টীয় বড়দিন ও নতুন বছরের উৎসবে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।  

রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম টিআরটি হ্যাবার সোমবার জানিয়েছে, আহত পুলিশ কর্মকর্তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, তাদের কারও আঘাতই গুরুতর নয়। 

তুর্কি গণমাধ্যম এনটিভি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোররাত ৩টায় অভিযান শুরু করার পর সন্দেহভাজনরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি শুরু করে, এ সময় ৭ পুলিশ আহত হয়। পরে প্রতিবেশী বুরসা প্রদেশ থেকে ঘটনাস্থল পুলিশের স্পেশাল বাহিনীগুলোকে পাঠানো হয়। 

গত সপ্তাহে ইস্তাম্বুলের প্রধান কৌঁসুলির দপ্তর জানিয়েছিল, আইএসের জঙ্গিরা অমুসলিমদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে।  

প্রায় এক দশক আগে তুরস্কের বিভিন্ন বেসামরিক লক্ষ্যে একের পর এক হামলা চালানো হয়েছিল। সেই সব হামলার জন্য জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে দায় দেওয়া হয়েছিল। এসব হামলার মধ্যে ইস্তাম্বুলের একটি নৈশক্লাব ও নগরীটির প্রধান বিমানবন্দরে হওয়া হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছিল।