নওয়াজের দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে সমর্থন দেবে পিপিপি, থাকবে না কেন্দ্র সরকারে

পিপিপি দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চায়- সেকারণেই এমন সিদ্ধান্ত, বলেছেন বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 13 Feb 2024, 02:45 PM
Updated : 13 Feb 2024, 02:45 PM

পাকিস্তানের নির্বাচন শেষে সরকার গঠন নিয়ে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) দীর্ঘ আলোচনার পর নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

পাকিস্তানের জিও নিউজ জানায়, নওয়াজের দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছেন পিপিপি-র প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। তাছাড়া, কেন্দ্র সরকারে তার দল অংশ হবে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাজধানী ইসলামাবাদে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে তিনি নিজেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। কারণ, পিপিপি কেন্দ্রে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জনরায় পায়নি।

বিলাওয়াল বলেছেন, পিএমএল-এন ও স্বতন্ত্ররা জাতীয় পরিষদে পিপিপি-র চেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। পিটিআই পিপিপির সঙ্গে জোট গঠনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ফলে পিপিপি-কে সরকারের যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো একমাত্র দল পিএমএল-এন।

পিপিপি নিজেদের পক্ষে কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে পারছে না। এমন অবস্থায় আমরা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতেও আগ্রহী নই। পিপিপি ‘পিডিএম-২’ জোটের এর মতো কোনও সরকারের অংশ হবে না। আমরা দেশে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা চাই না।” বলেন বিলাওয়াল।

দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই পিপিপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএমএল-এন এর প্রার্থীকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন দেওয়ার, বলেন বিলাওয়াল।

তিনি আরও জানান, পিএমএল-এন সরকারে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে পিপিপি বরং সিনেট চেয়ারম্যান এবং ন্যাশনাল এসেম্বলির স্পিকারের মতো পদগুলো নেওয়ার চেষ্টা করবে। কারণ, সাংবিধানিক এইসব পদ নেওয়ার অধিকার দলটির আছে।

পাকিস্তানে ২৯শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে পার্লামেন্ট অধিবেশনের আগেই সরকার গঠনের সব প্রক্রিয়া শেষ করার বিধান রয়েছে সংবিধান অনুসারে।

নব নির্বাচিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই সদস্যরা শপথ নেবেন, শপথের পর ডেপুটি স্পিকার ও পরে স্পিকার নির্বাচিত হবেন।

এরপর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়। ফলে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বা মার্চের প্রথম সপ্তাহে শপথ নিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।