Published : 10 Feb 2026, 05:18 PM
যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কবে এবং কতটুকু বকেয়া বাজেট পরিশোধ করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার অপেক্ষায় আছে বলে সোমবার জানিয়েছে জাতিসংঘ।
যুক্তরাষ্ট্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাকি পড়া অর্থের প্রথম কিস্তি পরিশোধ করবে বলে গত সপ্তাহে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর জাতিসংঘ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইল।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “আমরা বিবৃতিগুলো দেখেছি। মহাসচিব এ বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরে রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আমাদের বাজেট কন্ট্রোলারও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমরা এখন সুনির্দিষ্টভাবে দেখতে চাই ঠিক কবে এবং কতটুকু বকেয়া পরিশোধ করা হয়।”
গত ২৮ জানুয়ারি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে লেখা এক চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছিলেন যে, বকেয়া আদায় না হওয়ায় সংস্থাটি ‘আসন্ন আর্থিক ধসের’ ঝুঁকিতে রয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, সংস্থাটির নিয়মিত বাজেটে অনাদায়ী বকেয়ার ৯৫ শতাংশেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাওনা রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত নিয়মিত বাজেটে ওয়াশিংটনের দেনা ২১৯ কোটি ডলার। তাছাড়া, শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য ২৪০ কোটি ডলার এবং ট্রাইব্যুনালগুলোর জন্য ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার বকেয়া রয়েছে তাদের। কর্মকর্তারা আরও জানান, গত বছর নিয়মিত বাজেটে কোনও অর্থ পরিশোধ করেনি যুক্তরাষ্ট্র।
ফলে গত বছরের বকেয়া ৮২ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ৭৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারসহ পুরনো বকেয়া মিলিয়ে মোট দেনার পরিমাণ জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের হিসাবমতে, ৪৬০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
গত শুক্রবার জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ রয়টার্সকে বলেছিলেন, “খুব শিগগিরই আপনারা অর্থের প্রাথমিক কিস্তি দেখতে পাবেন। এটি আমাদের বার্ষিক বকেয়ার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডাউন পেমেন্ট হবে।”
বকেয়া পরিশোধের এই অর্থ গত বছরের নাকি ২০২৬ সালের নাকি দুই বছরেরই? এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াল্টজ বলেন, “সাধারণভাবে এটি বকেয়া পরিশোধ এবং আমাদের দেখা কিছু সংস্কারের স্বীকৃতির অংশ হিসেবেও দেওয়া হবে।”