Published : 10 Jul 2025, 12:22 PM
গাজায় যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে চলমান যে প্রচেষ্টা তার আওতায় ১০ জিম্মিকে ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস।
ইসরায়েলের ‘একগুঁয়েমির’ জন্য চলমান আলোচনা ‘কঠিন’ হয়ে উঠেছে জানিয়ে তারা আরও বলেছে, যুদ্ধবিরতির আলোচনা মূলত কয়েকটি পয়েন্টে আটকে আছে; এর মধ্যে রয়েছে- ত্রাণ সরবরাহের প্রবাহ, গাজা ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ‘প্রকৃত নিশ্চয়তা’।
বুধবার তারা এসব বলেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
একইদিন এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, কাতারে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তি নিয়ে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে আছে।
যুদ্ধবিরতির সময় ত্রাণ বিতরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার কীভাবে হবে, এগুলোই আলোচনায় মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তার আগে যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো একটি ‘অনির্ধারিত’ বৈঠক করায় দ্রুতই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে যাচ্ছে এমন আশা তৈরি হয়েছিল।
সেসময় মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও বলেছিলেন, দোহায় চারটি মূল বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল, যার মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন কেবল একটি বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে।
তিনি সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বিষয়ে একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
উইটকফ আশাবাদী হলেও রোববার থেকে দোহায় শুরু হওয়া আলোচনায় ঠিক কতটা অগ্রগতি হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিশর। মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি বলেছিলেন, “আমি এখনই নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারছি না, তবে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি—এটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।”
ট্রাম্প-নেতানিয়াহু দ্বিতীয় বৈঠকের পরও থমকে গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা