Published : 04 Jun 2026, 10:32 AM
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ইসরায়েল ও লেবানন শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করতে সম্মত হয়েছে। এটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য একটি বৃহত্তর চুক্তির আশাকে জোরদার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েল ও লেবাননের লড়াইয়ের অবসান ঘটানোর শর্ত দিয়েছে ইরান।
ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার পর বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে গোলাবর্ষণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ও দক্ষিণ লিটানি সেক্টর থেকে তাদের সব কর্মীকে সরিয়ে নেওয়ার শর্তের ওপর নির্ভরশীল।
ইরান যুদ্ধের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের একটি অংশ হিসেবে ২ মার্চ ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। লেবাননের প্রতিরোধ শক্তি হিজবুল্লাকে দমন করার জন্য ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে আক্রমণ শুরু করে। গত মাসে এ দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও শত্রুতা থামেনি।
বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ও বৈরুতের কাছে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়। অপরদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা শত্রুর একটি আকাশযান বাধা দিয়ে ধ্বংস করেছে আর সেটি সম্ভবত হিজবুল্লাহ ছুড়েছিল।
যুদ্ধ অবসানের যে কোনো চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরান লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র বলছে যে এই দুই সংঘাত পৃথক ঘটনা।
কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতিটি সব রণাঙ্গনে একটি দ্ব্যর্থহীন যুদ্ধবিরতি। ইসরায়েল বৈরুতে হামলা চালালে ইরান নিশ্চিতভাবে জবাব দেবে।”
এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপের কয়েকটি লক্ষ্যে আঘাত হানার পর বুধবার কুয়েতে জোরালো হামলা চালিয়েছে তেহরান। এ হামলায় একজন নিহত ও ৬০ জনের বেশি আহত আর কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।