১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ‘সাদা পাউডারের সন্দেহজনক প্যাকেট’ খোলার পর কয়েকজন অসুস্থ

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহন করা বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানের’ মূল ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজে এ ঘটনা ঘটেছে।

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ‘সাদা পাউডারের সন্দেহজনক প্যাকেট’ খোলার পর কয়েকজন অসুস্থ
মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ। ছবি: সিএনএন

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Nov 2025, 04:16 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:37 PM

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের এক সামরিক ঘাঁটিতে সাদা পাউডার সম্বলিত সন্দেহজনক একটি প্যাকেটের কল্যাণে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ-এর বিবৃতির বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বৃহস্পতিবার এক ব্যক্তি ‘সন্দেহজনক ওই প্যাকেটটি খোলার পর সামরিক ঘাঁটির একটি ভবন পুরোপুরি খালি করে ফেলা হয়।

“সাবধানতার অংশ হিসেবে ওই ভবন এবং তার সংলগ্ন আরেকটি ভবন খালি করে ফেলা হয়। ওই জায়গার আশপাশ নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে,” বলা হয়েছে বিবৃতিতে। 

কয়েকজনকে ঘাঁটির ভেতরেই অবস্থিত ম্যালকম গ্রোভ মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। তাদের অসুস্থতার মাত্রা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহন করা বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানের’ মূল ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ। 

যে সন্দেহজনক প্যাকেটটি খোলার পর ভবন খালি করে ফেলা হয়, সেই প্যাকেটের ভেতর অজানা এক সাদা পাউডার ছিল বলে তদন্ত সম্বন্ধে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সিএনএন।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিপজ্জনক কিছু শনাক্ত না হওয়ায় পরে ঘটনাস্থল যুক্তরাষ্ট্রের ‘অফিস অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন’-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

বিপজ্জনক পদার্থ বা তেজস্ক্রিয় উপাদান শনাক্তে বিশেষজ্ঞ দল প্রাথমিকভাবে ওই প্যাকেটে বিষাক্ত কিছুর উপস্থিতি পায়নি, তবে তদন্ত এখনও চলছে, বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সিএনএন। 

ঘাঁটির এয়ার ন্যাশনাল গার্ড রেডিনেস সেন্টার যে ভবনে ছিল সেখানকার একটি কক্ষেই ওই খামটি খোলা হয়েছিল; ওই কক্ষটি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রয়টার্স মন্তব্য চাইলেও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। সংবাদমাধ্যমটি সিএনএনের প্রতিবেদনের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাইও করতে পারেনি।