১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় খনি ধসে মৃত্যু বেড়ে ১৭, উদ্ধার অভিযান চলছে

পাথরের নিচে এখনও ৮ জন চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা কর্তৃপক্ষের।

ইন্দোনেশিয়ায় খনি ধসে মৃত্যু বেড়ে ১৭, উদ্ধার অভিযান চলছে
উন্মুক্ত খনন এলাকায় আন্ডারকাটিং পদ্ধতির ব্যবহার এবং খাড়া ঢালও এই পাথর ধসের ঘটনায় ভূমিকা রাখতে পারে। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Jun 2025, 03:06 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:50 PM

ইন্দোনেশিয়ার ওয়েস্ট জাভায় চুনাপাথরের খনিতে পাথর ধসে আটকে পড়া ৮ জনকে উদ্ধারে রোববারও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবারের এ ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে পৌঁছেছে, আহত ৬ জন। 

পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রাথমিক হতাহতের তথ্য মিলেছে, বলেছে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থা বাসারনাস। 

চিরেবোনের যেখানে এ ধসের ঘটনা ঘটেছে সেটিকে ‘বিপজ্জনক’ অ্যাখ্যা দিয়ে ওয়েস্ট জাভার গভর্নর দেদি মুলইয়াদি বলেছেন, সেখানে ‘কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না’। 

ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ধসের কারণ এবং ওই খনিতে আরও ধসের সম্ভাবনা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে।  

মন্ত্রণালয়ের ভূতাত্ত্বিক সংস্থার প্রধান মুহাম্মাদ ওয়াফিদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, চিরেবোন রিজেন্সি এলাকায় ধসের ঝুঁকি বেশি, বিশেষ করে যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। যেখানে পাথর ধসের ঘটনা ঘটেছে সেখানে খাড়া ঢাল রয়েছে।

উন্মুক্ত খনন এলাকায় আন্ডারকাটিং পদ্ধতির ব্যবহার এবং খাড়া ঢালও এই পাথর ধসের ঘটনায় ভূমিকা রাখতে পারে, বলেছেন তিনি।  

“অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় আবহাওয়া পরিস্থিতি ও খাড়া ঢালের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভারি বৃষ্টির আগে-পরে কিছু করা যাবে না। কেননা, ওই এলাকায় আরও ধসের সম্ভাবনা আছে, যার কারণে কর্মকর্তারা আঘাত পেতে বা চাপা পড়তে পারেন,” বলেছেন ওয়াফিদ। 

ইন্দোনেশিয়ায় চুনাপাথরের খনিতে পাথর ধসে পড়ে নিহত অন্তত ১৩