Published : 29 Sep 2025, 06:36 PM
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে আগামী দুই মাসের জন্য ওরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডে মোতায়েন হচ্ছে ন্যাশনাল গার্ড সেনা। তবে এই সেনা মোতায়েন ‘বেআইনি’ যুক্তিতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ওরেগন।
রোববার রাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল ড্যান রেফিল্ড এই মামলা করেন। তিনি এই পদক্ষেপকে ‘উস্কানিমূলক এবং যথেচ্ছাচারী’ আখ্যা দেন। সেনা মোতায়েনের পদক্ষেপ ঘিরে শোরগোলে জননিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে বলে জানান তিনি।
রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের পাঠানো একটি মেমোতে বলা হয়, “পোর্টল্যান্ডে, যেখানে বিক্ষোভ ঘটছে বা ঘটার আশঙ্কা আছে, সেখানে কেন্দ্রীয় সম্পত্তির সুরক্ষায় অন্তত ২০০ ন্যাশনাল গার্ড সেনা পাঠানো হবে।”
এর আগে শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, অভিবাসী আটক কেন্দ্রগুলোকে ঘিরে বিক্ষোভ দমন করতে ‘প্রয়োজনে পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের’ অনুমোদন তিনি দিয়েছেন।
অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক দমনাভিযানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন শহরে সেনা মোতায়েনের পদক্ষেপ হিসাবে পোর্টল্যান্ডেও বাড়তি পরিসরে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
পোর্টল্যান্ডকে যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প শনিবার বলেছিলেন, “ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন হলে তা পোর্টল্যান্ডে অ্যান্টিফা ও অন্য দেশি সন্ত্রাসীদের হামলার মুখে অবরুদ্ধ যে কোনও আইসিই (অভিবাসন ও শুল্ক কার্যকর) কেন্দ্র রক্ষায় সহায়ক হবে।”
তবে পোর্টল্যান্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ট্রাম্পের এই বক্তব্য নাকচ করে তা রুখে দাঁড়িয়েছেন ওরেগনের ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা।
ওরেগনের গভর্নর শনিবারেই বলেছেন, “পোর্টল্যান্ডে কোনও জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি নেই। আমাদের কমিউনিটিগুলো নিরাপদ এবং শান্ত রয়েছে।”