১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘নিয়ন্ত্রণহীন পারমাণবিক অস্ত্রের এক নতুন বিশ্বের জন্য প্রস্তুত রাশিয়া’

‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৫ ফেব্রুয়ারি। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে শেষ মূহূর্তে কোনও সমঝোতা না হলে কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই পারমাণবিক শক্তির দেশে এই অস্ত্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

‘নিয়ন্ত্রণহীন পারমাণবিক অস্ত্রের এক নতুন বিশ্বের জন্য প্রস্তুত রাশিয়া’
রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Feb 2026, 07:56 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:51 PM

চলতি সপ্তাহে ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষের পর নিয়ন্ত্রণহীন পারমাণবিক অস্ত্রের এক বিশ্বের নতুন বাস্তবতার জন্য রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। 

মঙ্গলবার তিনি একথা বলেন। ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে এই ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তি সই করেছিলেন।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে কোনও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা না হলে কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম বিশ্বের প্রধান দুই পারমাণবিক শক্তির অস্ত্র ভাণ্ডারের দেশে এই অস্ত্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পরবর্তী করণীয় ঠিক করার জন্য সময় পেতে বর্তমান চুক্তির শর্তগুলো আরও এক বছর বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত এর কোনও আনুষ্ঠানিক জবাব দেননি বলে জানিয়েছেন রিয়াবকভ। 

বেইজিংয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস-কে তিনি বলেন, “উত্তর না পাওয়াটাও এক ধরনের উত্তর।” তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বিশ্বে সবচেয়ে বড় দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের হাতে কোনও সীমাবদ্ধতা না থাকার যে নতুন বাস্তবতা তৈরি হতে যাচ্ছে, তার জন্য মস্কো তৈরি। 

তাছাড়া, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মস্কো চীনের অবস্থানকেও সমর্থন করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইরানের বিষয়ে রিয়াবকভ মন্তব্য করেন যে, তেহরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলো মূলত ‘আল্টিমেটাম’ এর মতো।

পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ডে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করে, তবে রাশিয়াকেও তার সামরিক ক্ষেত্রে ‘ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা’ নিতে হবে।